জ মন্তরে পুলিশের লাঠিচার্জ, তরুণদের চোখে ক্ষোভ, তবুও গান্ধীর পথে চলার আহ্বান..

اگلا

জ মন্তরে পুলিশের লাঠিচার্জ, তরুণদের চোখে ক্ষোভ, তবুও গান্ধীর পথে চলার আহ্বান..

0 Views· 22/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 سبسکرائبرز
3
میں

বিবরণী: গতকাল ভারতের নয়াদিল্লির জ মંતরে নিহৎ বিক্ষোভকারী তরুণদের ওপর পুলিশের নির্মম লাঠিচার্জ দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে পুলিশের নৃশংসতার শিকার এই তরুণদের চোখেমুখে ক্ষোভ ও বেদনা স্পষ্ট তাদের এই বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা এক ভয়াবহ স্মৃতি হয়ে রয়ে গেছে কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও, এই তরুণদের কাছে শান্ত ও অহিংস পথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে এক প্রতিবাদ কর্মসূচির সময়, যেখানে তরুণ বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবি আদায়ের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে জড়ো হয়েছিলেন কিন্তু আচমকা পুলিশের লাঠিচার্জে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয় পুলিশের এই অপ্রত্যাশিত ও পাশবিক আচরণ অনেকের কাছেই সমালোচনার জন্ম দিয়েছে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, কেন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের উপর এমন দমন-পীড়ন চালানো হলো? পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে এই ঘটনার পর, আক্রান্ত তরুণদের কাছ থেকে আসা প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত মর্মস্পর্শী তাদের ক্ষোভ ও হতাশা ছিল স্বাভাবিক অনেকেই পুলিশের আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তবে, এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতেও, তাদের গান্ধীজির অহিংস আন্দোলনের পথ অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, সকল প্রকার প্রতিকূলতা সত্ত্বেও, সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকা সম্ভব এই ঘটনাটি শুধু ভারতে নয়, বরং বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নটিকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে তরুণ প্রজন্মের মনে ক্ষোভ জন্মানো স্বাভাবিক, কিন্তু সেই ক্ষোভকে কীভাবে ইতিবাচক শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়, তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আন্দোলনের নামে সহিংসতা বা বিদ্বেষ ছড়ানো কেবল পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে তাই, আশা করা যায়, তরুণরা তাদের আন্দোলনকে অহিংস ও গঠনমূলক পথে পরিচালিত করবে, যা একটি সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য [সৌজন্যে: @jtrahulsaini (𝕏 (Twitter))]

مزید دکھائیں

 0 تبصرے sort   ترتیب دیں


اگلا