দিল্লিতে ছাত্রের জন্তর মন্তর যাত্রা রুখল সিআইএসএফ: প্রতিবাদ দমনের অভিযোগ..
দিল্লিতে ছাত্রের জন্তর মন্তর যাত্রা রুখল সিআইএসএফ: প্রতিবাদ দমনের অভিযোগ..
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের 'বেআইনিভাবে' আটক করার অভিযোগ উঠেছে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে দিল্লির বদরপুর মেট্রো স্টেশনে জন্তর মন্তর অভিমুখে রওনা হওয়া একদল ছাত্রকে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ) থামিয়ে দেয় তাদের হাতে কেবল কিছু প্ল্যাকার্ড বা পোস্টার ছিল, যে কারণে তাদের মেট্রো ভ্রমণ করতে দেওয়া হয়নি এবং কার্যত জবরদস্তি আটকে রাখা হয় এই ঘটনা ভারতীয় নাগরিকদের শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর এবং মত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত বলে অভিযোগ করছেন আটক শিক্ষার্থীরা ও মানবাধিকার কর্মীরা ভারতের সংবিধানে প্রতিটি নাগরিকের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে জন্তর মন্তর দীর্ঘকাল ধরে ভারতের গণতন্ত্রে প্রতিবাদের একটি প্রতীকী স্থান হিসেবে পরিচিত, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট দাবির পক্ষে বা বিপক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের মতামত তুলে ধরা একটি মৌলিক অধিকারের অংশ কিন্তু শুধুমাত্র হাতে পোস্টার থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের জনসমক্ষে যাত্রা বন্ধ করে দেওয়া এবং তাদের প্রতিবাদস্থলে পৌঁছাতে না দেওয়ার এই ঘটনাকে 'গণতান্ত্রিক কণ্ঠরোধের' অপপ্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে অভিযোগ উঠেছে, নিরাপত্তা বাহিনীর এই পদক্ষেপ কর্তৃপক্ষের পূর্বনির্ধারিত কোনো নীতির অংশ, নাকি এটি তাদের ব্যক্তিগত বাড়াবাড়ি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এই ঘটনা দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে অধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এমন পদক্ষেপ শুধু গণতন্ত্রের মূলভিত্তিকে দুর্বল করে না, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বৃদ্ধি করে এটি ভারতের মতো বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে বাধা দেওয়ার এই প্রবণতা রাষ্ট্রের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে ঘটনার দ্রুত তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা আশা করছে দেশবাসী, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে [সৌজন্যে: @rishikeshlaw (𝕏 (Twitter))]