দিল্লি উত্তাল: বিক্ষোভকারীরা আটক, জন্তর মন্তরে হিন্দু রক্ষা দলের পদযাত্রা..

Следующий

দিল্লি উত্তাল: বিক্ষোভকারীরা আটক, জন্তর মন্তরে হিন্দু রক্ষা দলের পদযাত্রা..

1 Views· 25/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Подписчики
3
В

বিবরণী: ভারতের রাজধানী দিল্লির জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (এনসিআর) সাম্প্রতিক সময়ে এক ভিন্নধর্মী পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে যেখানে বিভিন্ন সাধারণ ইস্যুতে প্রতিবাদকারী এবং রাজনৈতিক কর্মীদের আটক ও দমন-পীড়ন করা হচ্ছে, সেখানে কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু রক্ষা দলের প্রধান পিঙ্কি চৌধুরী প্রকাশ্যে বিশাল জনসমাগম সংগঠিত করছেন আগামী ২৬ জুলাই তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে দিল্লির ঐতিহাসিক জন্তর মন্তরে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে এই ঘটনা ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং দেশের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের দ্বিমুখী আচরণের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীরা এই পরিস্থিতিকে মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিশ্লেষকদের মতে, জন্তর মন্তর যেখানে ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন আন্দোলন ও প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু, সেখানে একই সময়ে সাধারণ জনতা ও ভিন্নমতের রাজনৈতিক কর্মীদের আটক এবং একটি কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেতাকে অবাধে সমাবেশ করার সুযোগ দেওয়া ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসনের প্রতি গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে পিঙ্কি চৌধুরী নেতৃত্বাধীন হিন্দু রক্ষা দল ভারতের একটি পরিচিত হিন্দুত্ববাদী সংগঠন, যার অতীতে বিতর্কিত মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে প্রায়শই এই সংগঠনটি সংখ্যালঘু বিরোধী বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত হয়েছে এমন একটি দলের প্রধানের প্রকাশ্যে জনসমাবেশ করার সুযোগ এবং তুলনামূলকভাবে নিরীহ বিক্ষোভকারীদের প্রতি কঠোর মনোভাব, মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে তারা বলছেন, এটি ভিন্নমত দমনে সরকারের দ্বিমুখী নীতিকেই স্পষ্ট করে এবং সমাজে বিভেদ তৈরি করার প্রবণতাকে উসকে দেয় এই পরিস্থিতি কেবল দিল্লির আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকেই নয়, বরং ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র এবং সকল নাগরিকের জন্য সমান অধিকারের ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে আগামী ২৬ জুলাই জন্তর মন্তরে পিঙ্কি চৌধুরীর পদযাত্রা কী ধরনের বার্তা দেবে এবং এর পেছনে কোনো সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কিনা, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা-কল্পনা চলছে অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এই ধরনের সমাবেশ সাম্প্রদায়িক বিভাজন আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং সমাজে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা না এলেও, পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এ ঘটনা ভবিষ্যতে ভারতে প্রতিবাদের অধিকার এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করবে ভারতের এই স্পর্শকাতর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সরকারি সংস্থাগুলো কীভাবে এর মোকাবিলা করে, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে [সৌজন্যে: @benarasiyaa (𝕏 (Twitter))]

Показать больше

 0 Комментарии sort   Сортировать по


Следующий