'চৌকিদারই চোর' স্লোগানে মোদি-শাহকে এনএসইউআই-এর কড়া বার্তা!..

Næste

'চৌকিদারই চোর' স্লোগানে মোদি-শাহকে এনএসইউআই-এর কড়া বার্তা!..

0 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Abonnenter
3
I

বিবরণী: ভারতের জাতীয় ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই) সম্প্রতি এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লক্ষ্য করে কড়া বার্তা দিয়েছে, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জোর গলায় স্লোগান উঠেছে যে, 'এই শিশুদের হারাতে মোদি ও শাহকে ১০ জন্ম নিতে হবে!' পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী মোদির বহুল পরিচিত 'চৌকিদার' (পাহারাদার) ভাবমূর্তিকে বিদ্রূপ করে 'চৌকিদারই চোর' স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তোলা হয়, যা ক্ষমতাসীন দলের জন্য এক গুরুতর চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে ভিডিওতে দৃশ্যমান শিশুদের সরব উপস্থিতির উল্লেখ করে এনএসইউআই দাবি করেছে যে, দেশের সাধারণ মানুষ, এমনকি শিশুরাও এখন বুঝতে পারছে 'চৌকিদারই চোর' এই স্লোগানটি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির নিজেকে 'দেশপ্রেমী পাহারাদার' হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টার সরাসরি পাল্টা জবাব এনএসইউআই-এর এই আক্রমণাত্মক অবস্থান কেবল একটি প্রতিবাদী কর্মসূচি নয়, বরং এটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের গভীর হতাশা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ তাদের দাবি, মোদি ও শাহের বর্তমান নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তা সহজে থামানো যাবে না এই ধরনের কড়া মন্তব্য এবং সরাসরি অভিযোগ নিঃসন্দেহে শাসক দলের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর এবং এটি জনমনে তাদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে এনএসইউআই-এর এই ধরনের সরাসরি ও তীব্র সমালোচনামূলক স্লোগান নিঃসন্দেহে ক্ষমতাসীন দলের জন্য একটি বড় ধাক্কা বিশেষ করে '১০ জন্ম নিতে হবে' – এই উক্তিটি ইঙ্গিত দেয় যে, শাসকগোষ্ঠীর জনপ্রিয়তা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা এমন এক তলানিতে এসে ঠেকেছে, যা সহজে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয় শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ শুধু স্লোগান বা কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; এটি দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক আলোচনাকে প্রভাবিত করছে এবং বিরোধী শক্তিগুলোকে নতুন করে চাঙ্গা করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের এই সরব অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে ভারতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে, যেখানে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো হবে এই ঘটনা ভারতে যুব ও ছাত্র রাজনীতির শক্তি এবং প্রভাবকে পুনরায় সামনে এনেছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে [সৌজন্যে: @nsui (𝕏 (Twitter))]

Vis mere

 0 Kommentarer sort   Sorter efter


Næste