চ্যানেলের প্রতি ক্ষোভ: বয়স্ক সাংবাদিক কেন নিগৃহীত মাঠে?

Avanti il prossimo

চ্যানেলের প্রতি ক্ষোভ: বয়স্ক সাংবাদিক কেন নিগৃহীত মাঠে?

0 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Iscritti
3
In

বিবরণী: সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত একটি বার্তা দেশের সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের, বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বার্তাটিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতি ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের বিষয়টি স্বীকার করা হলেও, এই ক্ষোভের শিকার কেন নিরপরাধ মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকরা হচ্ছেন, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এতে জানানো হয়েছে, বন্যা, সন্ত্রাসী হামলা, আন্দোলন-প্রতিবাদসহ যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন এই সংবাদকর্মীরা তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো তথ্য সংগ্রহ করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া অথচ, তাঁদেরকেই নানাভাবে হয়রানি ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হচ্ছে, যা একটি সুস্থ গণমাধ্যমের জন্য অশনিসংকেত সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকরা হলেন প্রথম সারির যোদ্ধা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা, রাজনৈতিক অস্থিরতার চিত্র, সামাজিক অসংগতির খবর – সবকিছুই তাঁরা সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তুলে ধরেন ঝড়-বৃষ্টি, রোদ-তাপমাত্রা উপেক্ষা করে, নিজেদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে তাঁরা ছুটে যান ঘটনার কেন্দ্রে, শুধুমাত্র জনস্বার্থে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে ভিডিওর মূল বার্তায় যে 'বয়স্ক সাংবাদিকের' কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি কেবল তাঁর পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতেই এই পেশায় নিযুক্ত এই বয়সেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তিকে হয়রানি করা শুধু অমানবিকই নয়, সংবাদ পরিবেশনার মৌলিক অধিকারের প্রতিও চরম অবমাননা তাঁদের এই আত্মত্যাগই পাঠক ও দর্শকদের নির্ভুল এবং সময়োপযোগী তথ্য পেতে সহায়তা করে সাধারণ মানুষের মধ্যে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সংবাদ পরিবেশনের ধরণ, পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ কিংবা কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দিষ্ট নীতির প্রতি ক্ষোভ থাকা অস্বাভাবিক নয় গণতান্ত্রিক সমাজে নাগরিক হিসেবে তাঁদের এই সমালোচনার অধিকারও স্বীকৃত তবে, চ্যানেলের সামগ্রিক নীতি বা সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের দায় মাঠ পর্যায়ের একজন সাধারণ সংবাদকর্মীর উপর চাপানো কতটা যৌক্তিক, তা প্রশ্নসাপেক্ষ তাঁদের কাজ হলো কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে কেবল তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশন করা এই ধরনের হয়রানি কেবল একজন ব্যক্তিগত সাংবাদিককে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে না, বরং সংবাদ সংগ্রহ প্রক্রিয়াকেও মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি যদি বাড়তে থাকে, তাহলে মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকরা নির্ভয়ে কাজ করতে দ্বিধাগ্রস্ত হবেন, যা পরিশেষে দেশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে গণমাধ্যম একটি সমাজের দর্পণ আর এই দর্পণকে স্বচ্ছ ও কার্যকর রাখতে মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম জনগণের উচিত, টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর নীতি বা সংবাদ পরিবেশন নিয়ে তাঁদের অভিযোগ থাকলে, তা সঠিক কর্তৃপক্ষের কাছে, গঠনমূলক উপায়ে তুলে ধরা মাঠ পর্যায়ে কর্মরত একজন সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে হেনস্তা করা কোনো সমাধান নয় বরং, এতে একটি সুস্থ সংবাদ পরিবেশনা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে যেতে পারে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের উচিত, সংবাদকর্মীদের কাজকে সম্মান জানানো এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা গণমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি হলেই একটি সমৃদ্ধ ও তথ্যভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব [সৌজন্যে: @inikhilsaini (𝕏 (Twitter))]

Mostra di più

 0 Commenti sort   Ordina per


Avanti il prossimo