ছাত্র আন্দোলনের ‘জয়’, ধর্মেন্দ্র প্রধানের হারে শুভেচ্ছা শামা পারভীনের..

Следующий

ছাত্র আন্দোলনের ‘জয়’, ধর্মেন্দ্র প্রধানের হারে শুভেচ্ছা শামা পারভীনের..

1 Views· 25/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Подписчики
3
В

বিবরণী: ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করা এক মন্তব্যে, ছাত্র অধিকার কর্মী শামা পারভীন সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে উদ্দেশ্য করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিও বার্তায় শামা পারভীন ধর্মেন্দ্র প্রধানের পরাজয়কে “দেশের সকল ছাত্র-ছাত্রীর বিজয়” হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তাদের এই “জয়”-এর জন্য অন্তর থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি আরও বলেছেন যে, এই শুভেচ্ছা সেই সকল কণ্ঠস্বরের জন্য, যারা নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য সাহসের সাথে লড়াই করেছে শামা পারভীনের এই বিবৃতিটি এমন এক সময়ে এলো যখন ভারত জুড়ে শিক্ষাব্যবস্থায় একাধিক পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ, প্রতিবাদ এবং আন্দোলন চলমান সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (NEET) এবং ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন-ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (UGC-NET) পরীক্ষার ফলাফল ও পরিচালনা নিয়ে দেশব্যাপী তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয় লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষাগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দেশজুড়ে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও আইনি লড়াইয়ে নামেন শিক্ষার্থীদের মূল দাবি ছিল, পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা, যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবন ও শিক্ষাজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এসব বিতর্কিত পরীক্ষার সময় তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA), যা এই উচ্চ-স্তরের পরীক্ষাগুলো পরিচালনা করে, সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকায়, মন্ত্রীর উপর দায়ভার বর্তায় বলে অনেকেই মনে করেন শামা পারভীনের এই মন্তব্য কার্যত সেই শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভেরই প্রতিচ্ছবি, যারা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে নেমে এসেছিলেন এবং মন্ত্রীর পরাজয়কে নিজেদের আন্দোলনের ফল হিসেবে দেখছেন শামা পারভীন তার বার্তায় আরও স্পষ্ট করেছেন যে, এই অভিনন্দন কেবল ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী পরাজয়ের জন্য নয়, বরং এটি “সেই সকল কণ্ঠস্বরের নামে, যারা নিজেদের হকের জন্য দৃঢ়তার সাথে সংগ্রাম করেছে” তার এই বার্তাটি ভারতের ছাত্র রাজনীতিতে এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে এটি কেবল একজন মন্ত্রীর পরাজয়কে উদযাপন নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রতিবাদের নৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সরকার এবং জন প্রতিনিধিদের ওপর জনমতের চাপ সৃষ্টির ক্ষমতাকে আবারও প্রমাণ করে এই ঘটনা গণতন্ত্রে জনমতের গুরুত্ব এবং সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের তাদের কার্যকারিতার জন্য জবাবদিহিতার বিষয়টি আবারও সামনে এনেছে ধর্মেন্দ্র প্রধানের মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নির্বাচনে পরাজয়কে এভাবে ছাত্র আন্দোলনের ফলাফলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা নিঃসন্দেহে আগামী দিনে ভারতের শিক্ষানীতি এবং ছাত্র সমাজের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনাকে আরও গতি দেবে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারকেও আরও সতর্ক করে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: @shamaparveen70 (𝕏 (Twitter))]

Показать больше

 0 Комментарии sort   Сортировать по


Следующий