ভারতে ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশের বর্বর লাঠিচার্জ: মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ..
ভারতে ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশের বর্বর লাঠিচার্জ: মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ..
ভারতের একটি ছাত্রবিক্ষোভে পুলিশের বর্বরোচিত লাঠিচার্জের এক ভয়াবহ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে ‘দ্য দলিত ভয়েস’ নামক একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রকাশিত এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ অত্যন্ত পাশবিকভাবে লাঠিচার্জ করছে এবং একজন ছাত্রের ওপর নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছে মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনাকে স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই ভারতের বিভিন্ন মহলে পুলিশের এমন অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন অনেকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, পুলিশ সদস্যরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের ওপর চড়াও হয়ে নির্দয়ভাবে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করছে বিশেষ করে একজন ছাত্রকে লক্ষ্য করে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের দৃশ্যটি অত্যন্ত পীড়াদায়ক ওই ছাত্রকে টেনেহিঁচড়ে মারধর করতে দেখা যায়, যা একজন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যের কাছ থেকে কোনোভাবেই কাম্য নয় ভিড় ছত্রভঙ্গ করার অজুহাতে পুলিশ যেভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, তাতে তাদের প্রশিক্ষণ ও মানবিকতার মানদণ্ড নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে এই ঘটনা কেবল একটি প্রতিবাদ দমন নয়, বরং এটি নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার, বিশেষ করে শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়ার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এক নির্লজ্জ আঘাত এই বর্বরোচিত ঘটনা আবারও ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগকে সামনে এনেছে শিক্ষার্থীদের মতো সমাজের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তির ওপর এমন আক্রমণ কেবল তাদের মনে ভীতির সঞ্চার করবে না, বরং গণতন্ত্রের মৌলিক স্তম্ভগুলোকেও দুর্বল করবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই ভারতের প্রগতিশীল মহল এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে অনেকে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের, বিশেষ করে "ResignPradhan" হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি [সৌজন্যে: @ambedkariteind (𝕏 (Twitter))]