Avanti il prossimo

আমতলী আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্স আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করেন ছারছিনা পীর

4 Visualizzazioni· 20/02/26
MD .KHALED MOSHARRAF SHOHEL
0




যাদের উপরে আল্লাহর রহমত বিদ্যমান তাদের সাথেই ওঠাবসা করা উচিত
- আমতলী কমপ্লেক্সে ছারছিনা ছাহেব
মোঃ খালেদ মোশাররফ, জেলা প্রতিনিধি, বরগুনা ।।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- পবিত্র মাহে রমজান হচ্ছে রহমতের মাস।আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের রহমত প্রাপ্তির জন্য সর্বদা আল্লাহর দরবারে শোকর গুজারে নিজেকে নিয়োজিত রাখা এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতের উপরে নিজেদেরকে দায়েম ও কায়েম রাখা আবশ্যক। পক্ষান্তরে যারা আল্লাহর শোকর গুজারির পরিবর্তে নাফরমানি করে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নাতের অনুসরণ ও অনুকরণকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে এবং ব্যক্তি স্বার্থে ক্ষতিকারক কাজের আঞ্জাম দেয়, তাদের উপর থেকে আল্লাহর রহমত দূরে সরে যায়। এজন্য প্রকৃত মুমিন যাদের উপরে আল্লাহর রহমত বিদ্যমান তাদের সাথেই ওঠাবসা করে। যাদের উপর আল্লাহর রহমত নাই আমরা তাদের সাথে সম্পর্ক রাখার ইচ্ছা পোষণ করি না।
পবিত্র মাহে রমাদান একই সাথে রহমত, মাগফেরাত, নাজাতের মাস। প্রকৃতপক্ষে নফসের কামনা বাসনা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার প্রশিক্ষণের সুবর্ণ সুযোগ হচ্ছে এই সিয়াম সাধনা। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নৈকট্য লাভে আমাদেরকে বেশি বেশি নেক আমলে মননিবেশ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানুষ যখন শেষ বিচারের দিন হাশরের ময়দানে আল্লাহর সম্মুখে উপস্থিত হবে, তখন তার আমলগুলো তার সাথে হাজির করা হবে। যেদিন সন্তান-সন্ততি, কোনও সম্পদ, পার্থিব বিষয় কাজে আসবে না। শুধুমাত্র পবিত্র হৃদয় যা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ভয়ে দুনিয়ায় প্রকম্পিত হয়েছিল সেই হৃদয়গুলো কাজে আসবে। আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সাথে আমাদের হাশর হোক এ দোয়া করি।
২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাদ জুময়া বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলাধীন আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সে ছারছীনা শরীফের কুতুবুল আলম আল্লামা শাহ্সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ (রহঃ) এর ৭৪তম, মুজাদ্দেদে যামান শাহ্সূফী হযরত মাওলানা আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহঃ) এর ৩৬তম ও বাহরে শরীয়ত শাহ্সূফী হযরত মাওলানা মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ) এর ২য় তম ইন্তেকাল বার্ষিকী উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী ঈছালে ছওয়াব ওয়াজ মাহফিলের শেষদিন আখেরী মুনাজাতেরপূর্বে হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।
তিন দিনব্যাপী মাহফিলে প্রত্যহ বাদ ফজর ও মাগরীব হযরত পীর ছাহেব কেবলা জিকিরের তা’লীম পরিচালনা করেন। এছাড়াও হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী ও ছেলছেলার গুরুত্বপূর্ণ ওলামায়ে কেরামগণ বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন।
আখেরী মুনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করা হয়। এসময় নেিজদের গুনাহ মাফের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে রোনাজারী করতে থাকেন। এসময় উপস্থিত লাখো মেহমানবৃন্দের আমীন আমীন দ্ভনীতে আকাশ বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

Mostra di più

 0 Commenti sort   Ordina per


Avanti il prossimo