Mga nangungunang video | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
Mga nangungunang video
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় এক ভটভটি চালকের ছেলেকে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের নেকমরদ বাজারের বাসনপট্টির ব্যবসায়ী রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মফিজ।
অতিরিক্ত লবণ বোঝাই দানব আকৃতির মাহিন্দ্রা গাড়িগুলোর বেপরোয়া চলাচলে নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক।
বিবরণী: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতা এখন গণবিক্ষোভে উত্তাল বছরের পর বছর ধরে চলা বঞ্চনার প্রতিবাদে এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন হাজার হাজার মানুষ শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এক বিশাল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থী, তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন কর্তৃপক্ষের বহু দিনের নীরবতাকে প্রত্যাখ্যান করে এই বিক্ষোভকারীরা তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়েছেন কলকাতার রাজপথ জনস্রোতে পরিণত হয়েছে, যা রাজ্যজুড়ে চলমান অসন্তোষের এক স্পষ্ট চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, বছরের পর বছর ধরে শিক্ষাব্যবস্থায় অব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক বঞ্চনার অবসান ঘটানো দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ, যোগ্য প্রার্থীর মূল্যায়ন না হওয়া এবং তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নভঙ্গের ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে সরকারি প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া এবং পুরোনো পদগুলোও শূন্য থাকা বেকারত্বের সংখ্যাকে আশঙ্কাজনক হারে বাড়িয়ে তুলেছে আজকের এই গণবিক্ষোভ সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভেরই প্রকাশ বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এবার আর কোনো বঞ্চনা নীরবে সহ্য করা হবে না; বরং ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ পদযাত্রা কলকাতার প্রধান সড়কগুলো ধরে ধর্মতলার দিকে অগ্রসর হয় মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং তাদের দাবি-দাওয়ার প্রতি সমর্থন জানান "বঞ্চনা মানছি না", "আমাদের অধিকার ফিরিয়ে দাও", "শিক্ষায় চাই স্বচ্ছতা" – এমন স্লোগানে মুখরিত ছিল রাজপথ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এই বিক্ষোভে সামিল হন, যা আন্দোলনের ব্যাপকতা প্রমাণ করে প্রতিবাদী মানুষের বাঁধভাঙা ভিড় কলকাতার জনজীবন সাময়িকভাবে স্তব্ধ করে দেয়, তবে জনগণের মাঝে এই বিক্ষোভকে ঘিরে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে অনেকে ভোগান্তির শিকার হলেও সিংহভাগ মানুষই শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র ও যুব সমাজের এই বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ রাজ্য সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করবে এই আন্দোলন ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ ঘটাতে পারে, বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনগুলোকে সামনে রেখে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে যদি সরকার দ্রুত সমস্যা সমাধানে এবং শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে ইতিবাচক পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে এই বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশও এই পরিস্থিতির দিকে গভীরভাবে নজর রাখছে, কারণ দুই বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট অনেকটাই অভিন্ন এই আন্দোলন বাংলাদেশের তরুণ সমাজের জন্যও এক অনুপ্রেরণা হতে পারে, যেখানে একই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয় [সৌজন্যে: @sanghamitralive (𝕏 (Twitter))]
বিবরণী: প্রতিবেশী দেশ ভারতে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে প্রবেশাধিকারের প্রশ্নে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একদল ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি তাদের মন্দিরগুলোতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে রাখার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তাদের অভিযোগ, যেখানে মুসলিমদের মসজিদ এবং শিখদের গুরুদুয়ারায় প্রবেশ ও উপাসনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরগুলো তাদের জন্যই বন্ধ করে রাখা হয়েছে এই ঘটনা ভারতের ধর্মীয় সহাবস্থান এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা দেশটির ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তির ওপর প্রশ্ন তুলেছে ভিডিওতে ক্ষুব্ধ প্রতিবাদকারীরা পরিষ্কারভাবে প্রশ্ন তুলেছেন, "আল্লাহর মসজিদ খুলে দেওয়া হয়েছে! গুরুদুয়ারায়ও জায়গা দেওয়া হয়েছে! কিন্তু আমাদের ধর্মের মন্দির আমাদের জন্যই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে!" তাদের এই অভিযোগ মূলত কিছু নির্দিষ্ট মন্দিরে প্রবেশাধিকার সীমিতকরণ বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাখার সরকারি কিংবা প্রশাসনিক নির্দেশনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীরা মনে করছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী এবং মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন উল্লেখ্য, ভারতে বিভিন্ন সময়ে এমন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ফলে ধর্মীয় স্থানগুলোতে প্রবেশাধিকার নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে, যা প্রায়শই স্থানীয় পর্যায়ে বড় ধরনের বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে ভক্তরা বলছেন, তাদের ঐতিহ্যবাহী পূজা-অর্চনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হানছে এই ঘটনা ভারতের মতো বহুত্ববাদী ও বিশাল জনসংখ্যার দেশে ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টির ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে এক সম্প্রদায়ের উপাসনালয় খোলা রেখে অন্য সম্প্রদায়ের উপাসনালয় বন্ধ রাখার অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তাহলে তা নাগরিকের সমঅধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার মৌলিক ধারণার পরিপন্থী এমন পরিস্থিতিতে সরকারের দ্রুত ও নিরপেক্ষ হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা তাদের মতে, এই ধরনের ঘটনা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে একটি গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে সকল ধর্মের মানুষের উপাসনার সমান অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব এই ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে এবং আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার এবং মানবিক মর্যাদার অবিচ্ছেদ্য অংশ এই অধিকার খর্ব হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের মধ্যেই নয়, বরং সামগ্রিক সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলোর উচিত দ্রুত এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেদের বঞ্চিত বা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক মনে না করেন সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে এবং ধর্মীয় সহাবস্থান বজায় রেখে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিবাদ শুধু একটি নির্দিষ্ট ঘটনার প্রতিফলন নয়, বরং এটি বৃহত্তর পরিসরে ধর্মীয় বৈষম্য দূরীকরণের একটি জোরালো আহ্বান, যা ভারত সরকারের জন্য একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে [সৌজন্যে: @indiamuslimpos1 (𝕏 (Twitter))]
বিবরণী: ের জেলায় কয়লা খনি সম্প্রসারণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে গতকাল (অথবা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করুন যদি জানা থাকে) এই সংঘর্ষে পুলিশি হেফাজতে থাকা ডিএসপি (ডেপুটি সুপারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ) সহ কমপক্ষে ২৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন ঘটনাটি ভারতের জাতীয় আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া প্রতিবাদের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ বলে জানা গেছে, যা এখন দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে তথ্যানুসারে, গোষ্ঠীর অধীনে থাকা একটি কয়লা খনি সম্প্রসারণের জন্য স্থানীয় আদিবাসী ও গ্রামবাসীদের জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা চলছিল গ্রামবাসীরা দীর্ঘ দিন ধরে তাদের ভিটেমাটি রক্ষার জন্য প্রতিবাদ করে আসছিলেন গতকাল যখন পুলিশ অধিগ্রহণের কাজ শুরু করতে যায়, তখন গ্রামবাসী প্রতিরোধের দেয়াল গড়ে তোলে উভয় পক্ষের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘর্ষ পরবর্তীতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গ্রামবাসীদের প্রতিরোধের মুখে পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন এবং তাদের উপর আক্রমণ চালানো হয় এই সংঘর্ষে ডিএসপি সহ প্রায় ২৪ জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এই ঘটনাটি ভারতের কয়লা খনি নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচিত করেছে খনি সম্প্রসারণের নামে আদিবাসী ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা ও বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা দীর্ঘদিনের পরিবেশগত প্রভাব এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন যে কেবল একটি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, এই ঘটনা তারই প্রমাণ সরকারের নীতি এবং জনগণের প্রতিবাদ—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে অনেক স্থানেই এমন সংঘাতের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে এই ঘটনার ফলে সহ দেশের অন্যান্য কয়লা খনি প্রভাবিত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এই সংঘর্ষের ফলে স্থানীয় প্রশাসন চরম উদ্বেগের মুখে পড়েছে আহত পুলিশ সদস্যদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে পাশাপাশি, গ্রামবাসীদের অভিযোগ ও দাবিসমূহ খতিয়ে দেখার জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি উঠেছে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের পথ খোঁজা এখন সময়ের দাবি খনি সম্প্রসারণের নামে কোনো জনগোষ্ঠীর উপর যেন অন্যায় না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং তাদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে [সৌজন্যে: @awesh29 (𝕏 (Twitter))]
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া (এনএসইউআই)-এর জাতীয় ইন-চার্জ কানহাইয়া কুমারকে আটক করেছে পুলিশ এনএসইউআই কার্যালয়ে যাওয়ার পথে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন পুলিশ তাকে আটক করে বলে অভিযোগ উঠেছে এই আকস্মিক আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের ছাত্র রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে এবং এনএসইউআই পুলিশের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংগঠনটি দাবি করেছে, দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের কণ্ঠস্বর দমনের ঘৃণ্য প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই কানহাইয়া কুমারকে আটক করা হয়েছে এনএসইউআই তাদের অফিসিয়াল বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে, অমিত শাহের পুলিশ এনএসইউআই-এর কার্যক্রম ও প্রভাব দেখে এতটাই ভীত যে তারা তাদের জাতীয় ইন-চার্জকে নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার পথে অন্যায়ভাবে আটক করতে বাধ্য হয়েছে এই পদক্ষেপকে গণতান্ত্রিক অধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ছাত্র সংগঠনটি এনএসইউআই পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে, যতই ছাত্রদের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করা হোক না কেন, তাদের আন্দোলন আরও জোরালো হবে তারা আরও দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেছে যে, তারা কোনো অবস্থাতেই মাথা নত করবে না বা তাদের সংগ্রাম থেকে পিছু হটবে না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কানহাইয়া কুমারকে আটকের ঘটনা ভারতের ছাত্র রাজনীতিতে চলমান অস্থিরতাকে আরও উস্কে দিতে পারে অতীতেও প্রভাবশালী ছাত্র নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভিন্নমত দমনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এই আটক দেশের তরুণ সমাজ ও শিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে বিশেষ করে, যখন ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে, তখন এমন ঘটনা তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং রাজপথে নতুন করে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্ম দিতে পারে এই ঘটনা কেবল একজন ছাত্র নেতার আটক নয়, বরং ছাত্র আন্দোলনের প্রতি বর্তমান সরকারের মনোভাবের এক প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখা হচ্ছে এটি ইঙ্গিত দেয় যে, কর্তৃপক্ষ ভিন্নমতাবলম্বী কণ্ঠস্বরকে কঠোরভাবে দমন করতে প্রস্তুত এনএসইউআই-এর এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা এবং আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে সামনের দিনগুলোতে দিল্লিতে ছাত্র বিক্ষোভ আরও বাড়তে পারে এবং জাতীয় রাজনীতিতে এর ঢেউ দেখা যেতে পারে বিরোধী দলগুলোও এই ঘটনাকে সরকারের বিরুদ্ধে আরও সরব হওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, যা জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে [সৌজন্যে: @nsui (𝕏 (Twitter))]
দাবি, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আটক করেছে জুনেদের পরিবারকে, খতিয়ে দেখছে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভারতের দিল্লিতে জ মন্তরে চলমান কৃষক আন্দোলন বা অন্য কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের খাদ্য বিতরণের কাজে সহায়তা করার অভিযোগে জুনেদ নামে এক ব্যক্তি উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে তার পরিবারের হেনস্থার শিকার হওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন জুনেদের দাবি, পুলিশ তার পরিবারের সদস্যদের আটক করেছে এবং তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করে দেখছে যদিও উত্তরপ্রদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি এই ঘটনাটি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত স্বেচ্ছাসেবকদের নিরাপত্তা এবং হয়রানির বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে ঘটনার সূত্রপাত হয় জ মন্তরে যখন প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য খাবার বিতরণের কাজে জুনেদ নামে এক ব্যক্তি সহায়তা করছিলেন তার ভাষ্যমতে, তিনি সাধারণ মানবিক দায়িত্ব পালন করছিলেন কিন্তু হঠাৎ করেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে তার পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় জুনেদের অভিযোগ, তার বাবা-মা এবং অন্যান্য নিকটাত্মীয়দের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে তিনি এই ঘটনাকে প্রত্যক্ষভাবে হয়রানি ও দমন-পীড়ন বলে অভিহিত করেছেন জুনেদ বিবিসি’র একজন সাংবাদিকের কাছে এই ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা তুলে ধরেছেন এই অভিযোগ যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে তা প্রতিবাদকারী এবং তাদের সহায়তাকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার স্বীকৃত কিন্তু এমন অভিযোগ প্রমাণ হলে তা এই অধিকার খর্ব করার শামিল হবে বিশেষ করে, সাধারণ নাগরিক যারা মানবিক কারণে কোনো আন্দোলনে সহায়তা করেন, তাদের যদি এভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়, তবে তা সমাজে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করবে আন্দোলন বা প্রতিবাদ দমনের জন্য পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা একটি অগণতান্ত্রিক ও অমানবিক পন্থা বলে বিবেচিত হতে পারে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এই অভিযোগ সম্পর্কে এখনো নীরব থাকায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে দ্রুত স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান প্রয়োজন যদি অভিযোগ অসত্য হয়, তবে তা খণ্ডন করা এবং অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত আর যদি অভিযোগ সত্যি হয়, তবে কেন এবং কোন যুক্তিতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি এই ঘটনা দেশজুড়ে নাগরিক অধিকার কর্মী এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নজরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে এবং তারা বিষয়টি নিয়ে সরব হতে পারেন এই ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপগুলো দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং আইনি প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলবে [সৌজন্যে: @sachingupta (𝕏 (Twitter))]
চট্টগ্রামের আমিরাবাদ এলাকায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ইশমামের বড় ভাই মুহিবের ওপর প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে হ
চট্টগ্রামের আমিরাবাদ এলাকায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ইশমামের বড় ভাই মুহিবের ওপর প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ।
কিছু ধান কাটা হয়েছে আর কিছু হয়নি
ঈদ মোবারক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলা আখাউড়া উপজেলা এই বছর লিচু আম কাঁঠাল বাম্পার ফলন হয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বিজয়নগর বিষ্ণুপুর ইউপি কালা ছড়া সিঙ্গার বিল আখাউড়া বিভিন্ন অঞ্চলে আম কাঁঠাল লিচু বাম্পার ফলন হয়েছে সাধারণ কৃষকের মাঝে আনন্দের জোয়ার বাড়ছে বিক্রেতা গনের নাগালের ভিতর দাম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নির্দেশে সারা দেশ ব্যাপি বৃক্ষ রোপণ এর কর্মসূচি পালনে গলাচিপার বোয়ালিয়া ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসায় জলবায়ু পরিবর্তন ও সচেতনতা বিষয়ক র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়
দুর্গাপুরে ২৬ বছরের পুরোনো ধ্বসে পড়া কালভার্টের স্থানে ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
দীর্ঘ তিন দিন ভারী বৃষ্টি বর্ষনে আলীকদম উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড বটতলী পাড়ার কালভার্ট ভেঙে সংযোগ বিচ্ছিন্ন জনপদ।
চাঁদপুরে সফল অস্ত্রোপচার, রোগীর পেট থেকে টিউমার আকৃতির রক্তের পিণ্ড অপসারণ
চাঁদপুরের মহামায়া এলাকার এক নারী রোগীর পেট থেকে টিউমার আকৃতির একটি বড় রক্তের পিণ্ড সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করেছেন চিকিৎসকরা
দীর্ঘদিন ধরে তীব্র পেটব্যথাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন ওই রোগী পরে তাকে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদার নেতৃত্বে সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয় অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর পেট থেকে টিউমারের মতো দেখতে বড় রক্তের পিণ্ডটি বের করা হয়
বর্তমানে রোগী চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় উন্নতির দিকে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে
চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘদিন পেটব্যথা, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত
ভূরুঙ্গামারীতে সার্কেল এএসপি মুনতাসির মামুন মুনের অভিযানে ৩ কিলো অবৈধ জাল জব্দ
রাজনগরের মুন্সিবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের দানবাক্স ভেঙে ভেতরে থাকা দানের টাকা চুরি করেছে এক চুরসিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় ১৪জুলাই সোমবার সকালে প্রথমে তালা ভেঙ্গে তার পর টাকা নিয়েপালিয়ে যায় দূর্বৃত্ত
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের বাইরে অবস্থান নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা
পরিত্যক্ত ঝিলে স্বপ্নের মৎস্য খামার গড়লেন হাজী মাসুদ আকন্দ, কর্মসংস্থান ১৫ শ্রমিকের উপ-শিরোনাম: ডব্
চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুর শহরের পুরান বাজারের রঘুনাথপুর ভাঙা পোল এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মাসুদ আকন্দ পরিত্যক্ত একটি বিশাল ঝিলকে আধুনিক বাণিজ্যিক মৎস্য খামারে রূপান্তর করে সফল উদ্যোক্তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দীর্ঘদিন ধরে হোটেল ব্যবসার পাশাপাশি বাজাজ মোটরসাইকেলের শোরুম ও টিভিএস মোটরসাইকেলের ডিলারশিপ পরিচালনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষে বিনিয়োগ করেন তিনি বর্তমানে তাঁর এই উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং সৃষ্টি করেছে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
জানা যায়, রঘুনাথপুরে অবস্থিত ডব্লিউ রহমান জুট মিলের পরিত্যক্ত বিশাল ঝিলটি কয়েক বছর আগে লিজ নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ শুরু করেন হাজী মাসুদ আকন্দ শুরুতে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করেন প্রথম উৎপাদনেই লাভের মুখ দেখার পর ধাপে ধাপে খামারের পরিধি আরও সম্প্রসারণ করেন
বর্তমানে ওই খামারে রুই, কাতলা, মৃগেল, সরপুটি, কালিবাউশসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের বাণিজ্যিক চাষ করা হচ্ছে মাছের সুষম খাদ্য সরবরাহ, পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার জন্য খামারে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন প্রায় ১৫ জন শ্রমিক ফলে একদিকে যেমন দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে বহু পরিবারের জীবিকার উৎস হয়ে উঠেছে এই খামার
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, একসময় যে ঝিলটি ছিল পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত, আজ সেটি প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর একটি উৎপাদনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকার ও ব্যবসায়ীরা এখানে মাছ কিনতে আসছেন এতে স্থানীয় বাজারে দেশীয় মাছের সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও গতিশীল হয়েছে
হাজী মাসুদ আকন্দ বলেন, "সততা, পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে যে কোনো উদ্যোগ সফল করা সম্ভব ভবিষ্যতে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই"
স্থানীয়দের মতে, পরিত্যক্ত জলাশয়কে উৎপাদনশীল সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে হাজী মাসুদ আকন্দ শুধু একজন সফল মৎস্য উদ্যোক্তাই নন, বরং তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্যও অনুপ্রেরণার প্রতীক তাঁর এই উদ্যোগ চাঁদপুরে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে
উত্তাল সাগরের ভাঙনে বিলীন শফিউলের সোনার সংসার, স্বপ্ন ভঙ
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া চারদিকে উত্তাল সাগর, আর সেই সাগরের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করে টিকে থাকার গল্প যেন এখানকার মানুষের নিত্যদিনের বাস্তবতা সেই বাস্তবতারই এক জীবন্ত নাম শফিকুল ইসলাম (শকুল্লাহ)
পূর্ব তাবালেরচর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শকুল্লাহ, পিতা মনু মিয়া বহু কষ্টে নিজের বসতভিটা ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য বাঁশের জাল দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করেছেন কিন্তু প্রকৃতির ভয়াল রূপের সামনে সেই চেষ্টা যেন মুহূর্তেই অসহায় হয়ে পড়ে
সরেজমিন দেখা যায়, উত্তাল ঢেউ বারবার আছড়ে পড়ছে বাঁশের তৈরি প্রতিরক্ষা কাঠামোর ওপর কয়েকজন মানুষ জীবন বাজি রেখে সেটি রক্ষার চেষ্টা করছেন প্রতিটি ঢেউ যেন তাদের স্বপ্ন, ঘাম আর বছরের পর বছরের সঞ্চয়কে গ্রাস করার হুমকি দিচ্ছে
শকুল্লাহর মতো উপকূলের অসংখ্য মানুষ জানেন না, আগামী জোয়ারের পরও তাদের ঘর থাকবে কি না সন্তানদের নিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবেন, সেই অনিশ্চয়তা নিয়েই প্রতিদিন ঘুম ভাঙে তাদের ভাঙনের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে অনেকেই শেষ সম্বলটুকুও হারিয়ে ফেলছেন
কুতুবদিয়ার উপকূল আজ শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, এটি জলবায়ু পরিবর্তনের কঠিন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ, কার্যকর ভাঙনরোধ প্রকল্প এবং দ্রুত সরকারি উদ্যোগ ছাড়া শকুল্লাহদের মতো আরও অনেক পরিবার একদিন মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যেতে পারে
শকুল্লাহর গল্প একজন মানুষের গল্প নয় এটি কুতুবদিয়ার হাজারো উপকূলবাসীর গল্প, যারা প্রতিদিন সমুদ্রের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকার অধিকার রক্ষার চেষ্টা করছেন তাদের এই নীরব সংগ্রাম যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পথ তৈরি করে