সেরা ভিডিও | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
সেরা ভিডিও
বগুড়ার ১৮ বছরের উন্নয়নের ভিডিও সারা বাংলাদেশে যেখানে প্রচুর কাজ হয়েছে বগুড়ায় এই দীর্ঘ ১৮ বছরে কোন কাজ হয়নি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে রোড ঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে বিভিন্ন রাস্তায় গাড়ি নিয়ে ঢোকা অসম্ভব পায়ে হাঁটা অসম্ভব একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি
জেলা পরিষদের উদ্যোগে কুতুবদিয়ায় ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণঅনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার সুইটি
নিজস্ব প্রতিবেদক
তেহরানেও মার্কিন বিমান হামলা; ‘শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত প্রতিরোধের’ হুঁশিয়ারি ইরানের
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্যে রাখছেন অ্যাডভোকেট এবিএম সেলিম
ভিডিও রিপোর্ট: শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদসহ অন্তত ছয়জন শহিদ হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পালন করা হয়েছে জুলাই শহীদ দিবস
ভিডিও রিপোর্ট: শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা
মহল্লাবাসীর অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন সেচ্ছাসেবকদলের সাবেক নেতা হানিফ উদ্দিন রানা
বান্দরবান, ২১ জুলাই: সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবান সদর উপজেলার ৬৫০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টায় বান্দরবান সদর উপজেলার বালাঘাটা ভোকেশনাল স্কুলের সামনে আয়োজিত এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি
অনুষ্ঠানে এমপি সাচিং প্রু জেরী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখবে
ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন
দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই এক চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এল প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক আইপি সিংয়ের দাবি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে রাজপথে নেমেছেন দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষায় তাঁর এই পদক্ষেপকে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে মমতা দিদি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ দৃঢ়তা ও "দমخم" নিয়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা শাসক মহলে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে আইপি সিং আরও জানিয়েছেন যে, এই আন্দোলন নিছকই একটি প্রতিবাদ নয়, বরং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির এক স্পষ্ট বার্তা যে সরকারকে তিনি "স্বৈরাচারী" বলে আখ্যা দিয়েছেন, তার দমনমূলক নীতির বিরুদ্ধে এই জনমুখী আন্দোলন এক বিরাট প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নেতৃত্ব বিরোধী শিবিরকে নতুন করে শক্তি জোগাবে এবং দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে এক নতুন সংগ্রাম শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে রাজপথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি এবং তাঁর এই জোরালো প্রতিবাদ দেশের মানুষকে এক নতুন দিশা দেখাচ্ছে গণতন্ত্রকে বাঁচাতে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে তাঁর এই "মরণপণ সংগ্রাম" দেশের রাজনৈতিক পরিসরে এক গভীর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে আইপি সিংয়ের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, এই প্রতিবাদ কেবল পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এর ঢেউ জাতীয় রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে এই আন্দোলন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে এক কড়া হুঁশিয়ারি হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে, যা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে
সম্প্রতি আলোচিত সাংবাদিক ও তথ্য-যাচাইকারী মহম্মদ জুবেইরকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ তবে এই গ্রেফতারি ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে পুলিশের কার্যপদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে যে, জুবেইরকে গ্রেফতার করতে আসা দিল্লি পুলিশের কর্মীরা ছিলেন সাদা পোশাকে এবং তাদের মুখ সম্পূর্ণ ঢাকা ছিল এহেন অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে প্রশ্ন তুলেছে যে, কেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মীরা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে চাইছেন এবং এই কৌশলের পেছনে তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষেত্রে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট নিয়ম ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার কথা পুলিশকর্মীদের পরিচয় প্রকাশ, বিশেষ করে যখন তারা কাউকে গ্রেফতার করতে যান, তা নাগরিক অধিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার মৌলিক অংশ এক্ষেত্রে সাদা পোশাকে এবং মুখ ঢেকে গ্রেফতারির মতো ঘটনা শুধুমাত্র প্রক্রিয়াগত ত্রুটিই নয়, বরং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইন মেনে চলা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এর ফলে জনসাধারণের মনে পুলিশের নিরপেক্ষতা এবং সততা নিয়ে গভীর সন্দেহ দানা বাঁধছে অল্ট নিউজের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ জুবেইর তাঁর নির্ভীক সাংবাদিকতা এবং ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য পরিচিত এমন একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার সময় পুলিশের এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করা বহু মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে সাংবাদিক মহল, মানবাধিকার কর্মী এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং দিল্লি পুলিশের কাছ থেকে অবিলম্বে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছে তাদের মতে, এটি কেবল একটি গ্রেফতারি নয়, বরং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের অধিকারের উপর আঘাত হানার এক কৌশলগত প্রচেষ্টা এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অনেকেই বলছেন যে, পুলিশি পদক্ষেপের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাদা পোশাকে এবং মুখ ঢেকে অভিযান চালানোর ফলে আইনসম্মত প্রক্রিয়ার উপর গুরুতর প্রশ্নচিহ্ন উঠে আসে এবং ভবিষ্যতে এর অপব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি হয় দিল্লি পুলিশের উচিত দ্রুত এই বিতর্কিত কার্যপদ্ধতির কারণ ব্যাখ্যা করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া নতুবা, এই ঘটনা দেশের বিচারব্যবস্থা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস আরও কমিয়ে দেবে
জামায়াত-শিবিরের তথাকথিত ধর্মীয় মুখোশের আড়ালে থাকা আসল রূপ আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সাতক্ষীরার এক বীর সম্প্রতি তাদের "খাঁটি মুসলমান" দাবির অসারতা এবং ইসলামের নামে প্রতারণার এক ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন করেছেন ভিডিওটিতে জামায়াতের নেতাদের "ভন্ড", "শুয়োরের বাচ্চা", "বেহায়া", "লম্পট" এবং "বুড়ো শয়তান" ইত্যাদি আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে বক্তা তাদের "জান্নাতের টিকিট বিক্রি" করার অভিযোগ তুলেছেন এবং এই ধরণের কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, "তোদের লজ্জা করে না ইসলাম বিক্রি করতে?" ভিডিওর মূল বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, সাতক্ষীরার এই "বীর খাট যোদ্ধা" জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ডে চরমভাবে ক্ষুব্ধ তিনি তাদের ধর্মীয় ভাবমূর্তি এবং ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে নিজেদের দাবিকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছেন এই অভিযোগগুলো শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভের প্রকাশ নয়, বরং জামায়াত-শিবিরের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক কার্যকলাপ নিয়ে জনমনে দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষের প্রতিফলন তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের নামে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করা এবং নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করার অভিযোগ দীর্ঘকাল ধরেই আলোচিত এই ঘটনাটি জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কৌশলের একটি গুরুতর দিক উন্মোচন করে তারা প্রায়শই ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, যা এই ভিডিওতে তীব্রভাবে সমালোচিত হয়েছে "খাঁটি মুসলমান" এবং "ইসলামের ধারক ও বাহক" হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে তারা যে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে চায়, সেই আস্থার সুযোগ নিয়ে তারা কী ধরনের প্রতারণা করতে পারে, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট "জান্নাতের টিকিট বিক্রি" করার অভিযোগটি জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ধর্মকে পুঁজি করে ব্যক্তিগত বা দলীয় লাভের একটি গুরুতর অভিযোগ সুতরাং, সাতক্ষীরার এই "বীর খাট যোদ্ধা"র বক্তব্য কেবল একজন ব্যক্তির ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এটি একটি বড় বার্তা বহন করে এটি সাধারণ মানুষকে জামায়াত-শিবিরের দাবির সত্যতা যাচাই করতে এবং তাদের তথাকথিত ধর্মীয় মুখোশের আড়ালে থাকা আসল চেহারা চিনতে সাহায্য করবে এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় দলের ভূমিকা এবং তাদের কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে [সৌজন্যে: @revolt_71 (𝕏 (Twitter))]
বিবরণী: সম্প্রতি সিজেপি (CJP) প্রতিবাদের মঞ্চে এক নিহঙ্গের (শিখ ধর্মাবলম্বী warrior) আপত্তিকর মন্তব্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে তিনি বলেন, "যদি আমরা হামলা শুরু করি, তাহলে আমরা সবাইকে এমন মার দেব যেন তাদের শরীর নীলাভ কালিতে ভরে যায়" এই হুমকি শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পুলিশকেও রেয়াত করবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন প্রতিবাদটি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন হিসেবে উপস্থাপিত হলেও, এই ধরনের সহিংস হুমকির আগমন অনেকের মনেই প্রশ্ন তুলেছে এই ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে বোঝা যায়, প্রতিবাদের নামে উস্কানিমূলক মন্তব্য এবং হিংসাত্মক বার্তা ছড়ানো একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা নিহঙ্গদের মতো একটি বিশেষ গোষ্ঠীর এই ধরনের বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে প্রশ্ন উঠছে, একটি শিক্ষার্থী আন্দোলন কীভাবে এই ধরনের উগ্রবাদী গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে পরিণত হলো এবং কারা এর পেছনে ইন্ধন যোগাচ্ছে? এই ধরনের মন্তব্যের প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে এটি কেবল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিই ঘটাবে না, বরং সমাজে বিভেদ ও বিদ্বেষ বাড়াতে সাহায্য করবে সরকারের দায়িত্ব এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রচারকারীদের চিহ্নিত করা এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা একইসাথে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে যেন কোনোভাবেই ভুল পথে চালিত না করা হয়, সেদিকেও নজর রাখা প্রয়োজন শান্তিপূর্ণ উপায়ে মত প্রকাশ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে, কিন্তু তা যেন কখনোই অন্যের ক্ষতির কারণ না হয় ঘটনাটির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত প্রয়োজন কিভাবে এই নিহঙ্গরা প্রতিবাদস্থলে প্রবেশ করলো এবং তাদের এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেল, তা খতিয়ে দেখা উচিত একইসাথে, এই প্রতিবাদের মূল উদ্দেশ্য কী এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া জরুরি সমাজের সকল স্তরের মানুষের উচিত এই ধরনের সহিংস উস্কানি প্রত্যাখ্যান করা এবং একটি সুস্থ, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করা [সৌজন্যে: @saffronchargers (𝕏 (Twitter))]
ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রাণকেন্দ্র যন্তর মন্তরে চলমান এক নারী প্রতিবাদে সাধারণ জনগণের অভূতপূর্ব মানবিক সমর্থন এখন আলোচনার কেন্দ্রে সচরাচর আন্দোলনস্থলে খাবার, পানি বা প্রাথমিক চিকিৎসার মতো সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হলেও, এই প্রতিবাদে অংশ নেওয়া নারীদের জন্য জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্যানিটারি প্যাড পাঠাতে শুরু করেছে গত ২২ জুলাই এই অভিনব উদ্যোগের খবর প্রকাশ্যে আসার পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়াচ্ছে এই ঘটনা কেবল একটি প্রতিবাদকে সমর্থন জানানো নয়, বরং আন্দোলনরত নারীদের মৌলিক স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন মেটানোর এক গভীর সংবেদনশীলতার প্রকাশ যন্তর মন্তর, যেখানে প্রায়শই বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম সংঘটিত হয়, সেখানে দীর্ঘসময় ধরে অবস্থানকারী আন্দোলনকারীদের জন্য নানান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয় বিশেষ করে নারী আন্দোলনকারীদের জন্য মাসিকের সময় ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা এক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা বা সহজলভ্য স্বাস্থ্য সামগ্রীর অভাবে অনেক সময় নারীরা প্রতিবাদে অংশ নিতে দ্বিধা করেন অথবা অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েন এই প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে স্যানিটারি প্যাড সরবরাহের উদ্যোগটি কেবল একটি পণ্য সরবরাহ নয়, এটি আন্দোলনরত নারীদের সম্মান, স্বাচ্ছন্দ্য এবং আত্মবিশ্বাস বজায় রাখার একটি প্রতীকী সমর্থন এটি প্রমাণ করে যে, সমাজ এখন নারীর সুনির্দিষ্ট শারীরিক চাহিদাগুলো সম্পর্কে আরও সচেতন ও সংবেদনশীল হয়ে উঠছে এই মানবিক সহায়তা কেবল দিল্লির যন্তর মন্তরের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং এটি ভারতের নাগরিক সমাজের এক ইতিবাচক ও সংহতিপূর্ণ চিত্র তুলে ধরছে যখন কোনো আন্দোলন কেবল তার নিজস্ব দাবিদাওয়া নিয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সহানুভূতি ও সমর্থন লাভ করে, তখন তার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যায় স্যানিটারি প্যাড বিতরণের এই উদ্যোগটি নারীর প্রতি সহানুভূতি এবং তাদের স্বাস্থ্যগত অধিকারের প্রতি সম্মানের এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সাধারণত পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীদের পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা একরকম ট্যাবু হিসেবে বিবেচিত হয় এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্য জনসমক্ষে এমন একটি সংবেদনশীল পণ্যের সরবরাহ, সমাজের এই ট্যাবু ভাঙতে এবং নারীর শারীরিক চাহিদাকে স্বাভাবিকীকরণ করতে সাহায্য করবে এটি নারী আন্দোলনকারীদের মনোবল বৃদ্ধি করবে এবং তাদের আরও দৃঢ়ভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে এই ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রতিবাদ ও সামাজিক আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণ এবং তাদের সুনির্দিষ্ট চাহিদা পূরণে বৃহত্তর সমাজের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করতে সাহায্য করবে যন্তর মন্তরের এই মানবিক উদ্যোগটি ভারতের সমাজের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে প্রয়োজনের মুহূর্তে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, যা মানবতা ও সংহতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে [সৌজন্যে: @bindaswith (𝕏 (Twitter))]
বিবরণী: জনগণকে ছত্রভঙ্গ করতে বা বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার একটি পরিচিত কৌশল কিন্তু এই ধরনের পরিস্থিতিতে যখন কোনো নিরীহ প্রাণী এর শিকার হয়, তখন তা মর্মস্পর্শী দৃশ্যের অবতারণা করে সম্প্রতি তেমনই এক হৃদয় বিদারক অথচ আশাব্যঞ্জক ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে 'টি-রেক্স' নামক একটি প্রাণী আকস্মিকভাবে টিয়ার গ্যাসের ধোঁয়ার কবলে পড়ে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো বিক্ষোভ বা সংঘটিত ঘটনার কাছাকাছি এটি চলে আসায় এমন পরিস্থিতির শিকার হয় টিয়ার গ্যাসের রাসায়নিক প্রভাব প্রাণীদের জন্য কতটা মারাত্মক হতে পারে, এই ঘটনাটি তারই এক জীবন্ত উদাহরণ ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টিয়ার গ্যাসের প্রভাবে টি-রেক্স শ্বাসকষ্ট এবং চোখ জ্বালাপোড়ায় তীব্র অস্বস্তি প্রকাশ করছিল গ্যাসের তীব্র প্রভাবে প্রাণীটি দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং স্পষ্টতই যন্ত্রণায় ছটফট করতে দেখা যায় পরিস্থিতি দ্রুত উপলব্ধি করে কয়েকজন মানবিক মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে এর সাহায্যে এগিয়ে আসেন সাধারণত, টিয়ার গ্যাসের রাসায়নিক প্রভাব নিষ্ক্রিয় করতে পানি বা দুধের মতো তরল ব্যবহার করা হয় ভিডিওতে দেখা গেছে, দ্রুততার সাথে পানি বা সম্ভবত দুধ জাতীয় কোনো তরল দিয়ে টি-রেক্সের চোখ-মুখ ধুয়ে দেওয়া হয় এবং এর শরীরে লেগে থাকা গ্যাসের কণা অপসারণ করা হয় এই দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপের ফলে মিনিট কয়েকের মধ্যেই টি-রেক্সের অবস্থার উন্নতি ঘটে এবং এটি স্বস্তি ফিরে পায়, যা দেখে দর্শকরাও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন এই ঘটনা শুধু টিয়ার গ্যাসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে একটি প্রাণীকে উদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মানুষের সংঘাতে সৃষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতিতে প্রাণীদের অসহায়ত্ব প্রায়শই উপেক্ষিত থাকে কিন্তু টি-রেক্সের ক্ষেত্রে দেখা গেল, সংকটকালে মানবিক উদ্যোগ কিভাবে একটি প্রাণীর জীবন বাঁচাতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ টি-রেক্সের প্রতি সহানুভূতি এবং উদ্ধারকারীদের দ্রুত পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করছেন এটি প্রমাণ করে যে, কঠিন পরিস্থিতিতেও সংবেদনশীলতা এবং দায়িত্ববোধ সমাজের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এই ধরনের মানবিক আচরণ আমাদের সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিয়ার গ্যাস কেবল মানুষের জন্য নয়, প্রাণীদের জন্যও অত্যন্ত ক্ষতিকারক এর রাসায়নিক উপাদান শ্বাসনালী, চোখ ও ত্বকে তীব্র জ্বালা সৃষ্টি করে, যা দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিও করতে পারে এমনকি শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে টি-রেক্সের দ্রুত নিষ্ক্রিয়করণ তাই কেবল একটি সাময়িক স্বস্তি নয়, বরং একটি বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রতীক এমন ঘটনাগুলো আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে, পরিবেশ ও প্রতিবেশে বসবাসকারী প্রতিটি প্রাণের প্রতি আমাদের যত্নশীল হওয়া উচিত এবং সংকটকালে তাদের সুরক্ষায় এগিয়ে আসা একটি নৈতিক দায়িত্ব [সৌজন্যে: @t_rexroars (𝕏 (Twitter))]
নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ সাইনবোর্ড নেতাদের দৌড়াতে চাঁদা বানিজ্য হকারদের দখলে ওভারব্রিজ
বান্দরবান প্রতিনিধি:
আজ বুধবার সকালে ঢাকা থেকে বান্দরবানের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস বান্দরবান সদর উপজেলার আমতলী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনায় বাসে থাকা কয়েকজন যাত্রী আহত হলেও ঘটনাস্থলে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বান্দরবানের আমতলী এলাকায় পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে বাসটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানো অথবা সড়কের অবস্থার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে, দুর্ঘটনায় কেউ নিহত না হওয়ায় যাত্রী ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
জান্তার মন্তরে আন্দোলন অব্যাহত, দাবি পূরণের অপেক্ষা সংবাদ শিরোনাম: ভূমিকম্পের মতো নাড়া দিল 'ভূখştুনি' আন্দোলন, আন্দোলনকারীর জীবন নিয়ে উদ্বেগ সংবাদ বিবরণী: ভূমিকম্পের মতো নাড়া দেওয়া এক গণআন্দোলন দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের জীবন বাঁচানোর জন্য দেশবাসীর পক্ষ থেকে আকুতি জানানো হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় দেখা গেছে, আন্দোলনকারীকে অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ তার জীবন দেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান এবং তা কোনোভাবেই ঝুঁকির মুখে ফেলা উচিত নয় বলে তারা মনে করছেন ভিডিওটিতে, আন্দোলনকারী 'অভিশেক দীপক' (Abhijeet Dipke) -এর প্রতি এই আকুতি প্রকাশ করা হয়েছে জানা গেছে, তিনি দিল্লির জান্তার মন্তরে এক অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন তার জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে, তার সমর্থক এবং দেশের সাধারণ মানুষ তাকে অনশন ভাঙার জন্য অনুরোধ করছেন এই আন্দোলন দেশ ও দশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাই তার সুস্থ জীবন নিশ্চিত করা অপরিহার্য এই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ 'জান্তার মন্তরে' চলমান থাকবে যতক্ষণ না তাদের দাবি পূরণ হয় আন্দোলনকারীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ যে, তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে তারা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন তবে, তাদের এই দৃঢ় সংকল্পের পাশাপাশি, নেতাদের জীবনের সুরক্ষার বিষয়টি নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ পরিলক্ষিত হচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই আন্দোলনের ফল ভোগ করতে হবে, কিন্তু তার আগে নেতাদের জীবন বাঁচানোই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ এই পরিস্থিতিতে, সরকার এবং আন্দোলনকারী উভয়েরই সহানুভূতিশীল মনোভাব প্রদর্শন করা উচিত [সৌজন্যে: @abhijeet_dipke (𝕏 (Twitter))]
বিবরণী: গতকাল (মঙ্গলবার) যে পুলিশ সদস্যরা নামবিহীন অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ওপর অমানুষিক লাঠিচার্জ করেছিল, আজ তাদের মুখোমুখি হয়েছেন জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ছাত্র সংসদের প্রাক্তন সভাপতি এবং ছাত্র আন্দোলনের মুখ ক কুমার পুলিশের এমন আচরণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে আজ সেই পুলিশ সদস্যরা যখন ক কুমারকে আটক করতে যায়, তখন তিনি তাদের তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেন জানা গেছে, গতকাল রাতে একটি নির্দিষ্ট ঘটনার জেরে পুলিশ ছাত্রদের উপর চড়াও হয়েছিল ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশি তাণ্ডবের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশবাসী ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায় আজ ক কুমারকে আটক করতে গিয়ে সেই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা মুখোমুখি হন এই সাক্ষাৎকারের সময় ক কুমার পুলিশের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন এবং তাদের বলেন যে, সাধারণ মানুষকে রক্ষা করাই পুলিশের প্রধান কর্তব্য, কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের হয়ে অন্যায়ভাবে ছাত্রদের উপর দমন-পীড়ন চালানো নয় ক কুমারের এই পদক্ষেপ ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে একটি বড় শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে তিনি শুধু ঘটনার প্রতিবাদই করেননি, বরং অভিযুক্তদের সরাসরি মুখোমুখি হয়ে তাদের ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন এই ঘটনাটি ছাত্র-যুব সমাজকে পুলিশের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে এই ঘটনার পর পুলিশ প্রশাসনের উপর আরও চাপ বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষার বিষয়টি আরও জোরালোভাবে সামনে আসবে [সৌজন্যে: @aashu_singh15 (𝕏 (Twitter))]
য় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি বর্বরতা, উত্তাল বিহার: শিক্ষা ও গণতন্ত্রের সুরক্ষার দাবি ভারতের বিহার রাজ্যের রাজধানী পাটনায় গত সোমবার এক নজিরবিহীন ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জে শত শত শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে 'লুটিয়েন্স মিডিয়া' নামের একটি সূত্র থেকে প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ বেপরোয়াভাবে লাঠিচার্জ করছে, যা দেশের স্বাধীন গণমাধ্যমগুলোতেও ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে আহত শিক্ষার্থীদের অনেকেই গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এই ঘটনা একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছে, তেমনি সরকারের দমনপীড়নের চিত্রও স্পষ্ট করেছে ঘটনার প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিহারে রাজ্য সরকারের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে এবং নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিল বিশেষ করে, বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশন (BPSC) কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলে অস্বচ্ছতা এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ এনে শিক্ষার্থীরা পাটনার রাজপথে নেমে এসেছিল তাদের মূল দাবি ছিল, স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং মেধাবীদের মূল্যায়ন করা কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবিগুলোকে উপেক্ষা করা হয় পুলিশি তাণ্ডবের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী পাটনার গান্ধী ময়দানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল তাদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার ছিল, যেখানে লেখা ছিল 'স্বচ্ছ নিয়োগ চাই', 'মেধাবীদের সুযোগ দাও', 'দুর্নীতির বিচার চাই' ইত্যাদি কিন্তু আচমকাই পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে অনেক শিক্ষার্থীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেতে দেখা গেছে নারী শিক্ষার্থীদের ওপরও পুলিশি বর্বরতা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকেরই মাথায় ও শরীরে গুরুতর আঘাত লেগেছে পরে আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এই ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে দেশের প্রধান প্রধান গণমাধ্যমগুলোও এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সমালোচকরা বলছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর এমন দমনপীড়ন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এটি কেবল শিক্ষার্থীদের অধিকারকেই খর্ব করে না, বরং দেশের সাংবিধানিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকেও হুমকির মুখে ফেলে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন এখন কেবল বিহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এবং এটি সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার দাবিকে আরও জোরালো করেছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ নাগরিকরাও [সৌজন্যে: @lutyensmediain (𝕏 (Twitter))]
বিবরণী: সাম্প্রতিক একটি আলোচনায় উঠে এসেছে যে, ভারতীয়দের অর্থায়ন কেন জরুরি হয়ে পড়েছে এই বিষয়টি দেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে সরকারি নীতি নির্ধারকরা মনে করছেন, বিভিন্ন খাতে ভারতীয় বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বিশেষ করে, প্রযুক্তি, পরিকাঠামো এবং উৎপাদন শিল্পে ভারতীয় পুঁজির আগমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের পথ খুলে দিতে পারে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে এই সম্পর্ককে আরও নিবিড় করার মাধ্যমে উভয় দেশই লাভবান হতে পারে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাজার এবং সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করছেন এর ফলে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লক্ষ্য পূরণ সহজ হতে পারে তবে, এই অর্থায়ন প্রক্রিয়া যেন স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি, দেশীয় শিল্পের সুরক্ষাও নিশ্চিত করা হবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে, যা উভয় দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি উদাহরণ হতে পারে [সৌজন্যে: @voicesindians (𝕏 (Twitter))]