কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!
ショーツ 作成
বরগুনা জেলার প্রশাসন ব্যবস্থায় নতুন উদ্দীপনা ও আশার প্রতীক হয়ে উঠে এসেছেন সদ্য যোগদান করা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ তাছলিমা আক্তার। জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি মানবিকতা, আন্তরিকতা ও উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে একের পর এক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। প্রথমবারের মতো বরগুনা একজন নারী জেলা প্রশাসক পাওয়ায় জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ইতিবাচক সাড়া।
শীত মৌসুমের শুরুতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় অসহায়, শীতার্ত ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন, শিক্ষা সহায়তা এবং সামাজিক সুরক্ষায় উদ্যোগ নিচ্ছেন,
দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তা-ঘাট এবং নদীভাঙনসহ গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি বাস্তব সমস্যাগুলো খুব কাছ থেকে জেনেছেন এবং সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন।
জেলার প্রতিটি উপজেলা, শহর ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন শুরু করেন। জনগণের সমস্যা জানার পাশাপাশি চলমান উন্নয়নকাজগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৬)। রোববার দিবাগত রাত গভীরে উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, আটক ব্যক্তির নাম মো. জামাল সরদার (৪৫)। তাঁর কাছ থেকে ১৪টি ককটেল, একটি কুড়াল ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-৬ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়রামপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় জামাল সরদার পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘরের ভেতরে লুকিয়ে রাখা বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, জামাল সরদারের বিরুদ্ধে আগে থেকেই হত্যাচেষ্টা মামলাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তিনি এলাকায় চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাশকতার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় র্যাব। এ ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। আজ সকালে তাঁকে বাঘারপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
ভায় আরও উল্লেখ করা হয়, কুতুবদিয়া উপকূলের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সরাসরি সাগরের মৎস্য আহরণের সঙ্গে যুক্ত। সাগরে জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলদস্যুতা রোধ, জেলেদের নিবন্ধন কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করা এবং মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট নজরদারির আওতায় আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
উপজেলা মেরিন ফিসারিজ কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।




