লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!
Celana pendek Membuat
বরগুনা জেলার প্রশাসন ব্যবস্থায় নতুন উদ্দীপনা ও আশার প্রতীক হয়ে উঠে এসেছেন সদ্য যোগদান করা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ তাছলিমা আক্তার। জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি মানবিকতা, আন্তরিকতা ও উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে একের পর এক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। প্রথমবারের মতো বরগুনা একজন নারী জেলা প্রশাসক পাওয়ায় জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ইতিবাচক সাড়া।
শীত মৌসুমের শুরুতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় অসহায়, শীতার্ত ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন, শিক্ষা সহায়তা এবং সামাজিক সুরক্ষায় উদ্যোগ নিচ্ছেন,
দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তা-ঘাট এবং নদীভাঙনসহ গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি বাস্তব সমস্যাগুলো খুব কাছ থেকে জেনেছেন এবং সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন।
জেলার প্রতিটি উপজেলা, শহর ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন শুরু করেন। জনগণের সমস্যা জানার পাশাপাশি চলমান উন্নয়নকাজগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি
ফরিদপুরে হিন্দু- মুসলিম দম্পতির গোপন বিয়ে প্রকাশ, চাঞ্চল্য
ফরিদপুর প্রতিনিধি | ২১ আগস্ট ২০২৫, বৃহস্পতিবার বিকাল
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার আধারকোঠা ছোলনা হেমায়েত মৃধার বাড়ির ভাড়াটিয়া ও শিশু খাদ্য ব্যবসায়ী গোপাল শিকদার (হিন্দু ধর্মাবলম্বী, দুই সন্তানের জনক) চার বছর আগে গোপনে বিবাহ করেন মুসলিম পরিবারের দুই সন্তানের জননী হাসনাহেনাকে।
ঘটনাটি দীর্ঘদিন গোপন থাকলেও বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে এলাকাবাসীর প্রশ্নের মুখোমুখি হলে এ তথ্য প্রকাশ্যে আসে।
ঘটনাপ্রবাহ
গোপাল শিকদার, মধুখালী থানার আড়াকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মহেশ্বর শিকদারের ছেলে।
বোয়ালমারী বাজার এলাকায় শিশু খাদ্য ব্যবসা করেন এবং হেমায়েত মৃধার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
এলাকাবাসী জানান, বোরখা পরে এক নারীকে নিয়মিত ওই বাসায় আসা-যাওয়া করতে দেখা যেত।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নারী হলেন মধুখালী থানার মহিশাপুর খলিফা পাড়ার আব্দুল জব্বার খলিফার মেয়ে হাসনাহেনা।
তারা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে চার বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কেউ নিজের ধর্ম পরিবর্তন করেননি এবং তারা নির্বিঘ্নে সংসার চালিয়ে আসছিলেন।
পরিণতি
ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর গোপাল শিকদারের প্রথম স্ত্রী ছেলে সন্তানসহ বোয়ালমারীতে চলে আসেন। এলাকায় এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনা চলছে।




