উত্তরা-আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

উত্তরা-আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
উত্তরা-আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
উত্তরা-আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
ছবি: সংগৃহীত
****

বকেয়া বেতন পরিশোধ ও সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর উত্তরা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জের পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। পরে বিক্ষোভকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা, সংঘর্ষ

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উত্তরখান ও দক্ষিণখান এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট ও জসিমউদ্দিন এলাকার হলি ল্যাব মোড়ে জড়ো হতে থাকেন।

পরে বেলা ১১টার দিকে তাঁরা উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়ক ও রাজলক্ষ্মী এলাকার আশপাশে সমবেত হন। একপর্যায়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশ অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।

পুলিশের দাবি, এ সময় বিক্ষোভকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। একপর্যায়ে শিল্প পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে শিল্প পুলিশের এক সদস্য আহত হন। তাঁর হাত ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আহত অর্ধশতাধিক, চলছে শনাক্তের কাজ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. রেজাউল করিম জানান, সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বকেয়া বেতন ও ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবি

বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। দাবিগুলো আদায়ে শনিবারও বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের জড়ো হওয়ার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

তবে সংঘর্ষের পর সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং আহত ব্যক্তিদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র।

Inga kommentarer hittades


News Card Generator