যেখানে দুর্নীতির শেকড় গজায়ে সেখানেই লটারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে’: আইনমন্ত্রী.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

যেখানে দুর্নীতির শেকড় গজায়ে সেখানেই লটারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে’: আইনমন্ত্রী..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
যেখানে দুর্নীতির শেকড় গজায়ে সেখানেই লটারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে’: আইনমন্ত্রী..
যেখানে দুর্নীতির শেকড় গজায়ে সেখানেই লটারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে’: আইনমন্ত্রী..
ছবি: সংগৃহীত
সাব-রেজিস্ট্রারদের পদায়নে দুর্নীতি ঠেকাতে লটারির প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘যেখানে দুর্নীতির শেকড় গজায়, সেখানেই এই প্রক্রিয়া অ..

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাব-রেজিস্ট্রার পদায়নের প্রথম লটারি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রথমবারের মতো সাব-রেজিস্ট্রার পদায়নে এমন স্বচ্ছতার উদ্যোগ নেওয়া হলো।

যেসব জায়গায় লটারি প্রয়োগ করা হবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ঢাকায় নয়, পর্যায়ক্রমে যেসব জায়গাকে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং যেখানে দুর্নীতির শিকড় গজানোর অভিযোগ রয়েছে, সেসব জায়গাতেও পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাই রোটেশনে যাব। কোনো জায়গায় যদি মনে করি দুর্নীতির আখড়া হয়েছে, সেই জায়গার সিন্ডিকেট ভাঙার জন্য আমাদের এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।’

কেন এই উদ্যোগ? সাব-রেজিস্ট্রারদের পদায়ন নিয়ে জনমনে নানা ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, সেই নেতিবাচক জায়গা থেকে উত্তরণের জন্য কোনো না কোনো জায়গা থেকে আমাদের শুরু করতে হতো। ঢাকার পোস্টিংকে সাব-রেজিস্ট্রারদের জন্য ‘প্রাইজ পোস্টিং’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় বিধায় প্রথম ধাপে ঢাকার পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রেই লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছতা আনার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে রাতারাতি সব পরিবর্তন করা সম্ভব না হলেও আমরা সেই শুভসূচনা করেছি।

মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, সব ধরনের নিয়োগের ক্ষেত্রে লটারির পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে না। এটি মূলত পদায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে। কারণ নিয়োগের ক্ষেত্রে লটারি করা যায় না, তবে পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে ক্ষমতার মধ্যে থেকে এটি করা হচ্ছে। লটারির মূল উদ্দেশ্য কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া নয়, বরং কোনো ধরনের বৈষম্য না করে একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করা। এই উদ্যোগের কার্যকারিতা ভবিষ্যতে মূল্যায়ন করে দুর্নীতি দমনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার মনোনয়ন অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে সারা দেশে ৩৭২ জন সাব-রেজিস্ট্রার কর্মরত আছেন এবং এর বাইরে প্রায় ১৩৯টি পদ শূন্য রয়েছে। সারা দেশে ‘এ ক্যাটাগরি’র সাব-রেজিস্ট্রার রয়েছেন ১৩১ জন। তাদের মধ্য থেকেই লটারির মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় ঢাকার জন্য ১৮ জনকে বাছাই করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইন সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লা, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজিআর) শামীমা আফরোজ, সাব-রেজিস্ট্রার অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রমজান খান, মহাসচিব মাইকেল আবদুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

Tidak ada komentar yang ditemukan


News Card Generator