নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরেই রিয়া মনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে দোষ স্বীকার করেছেন হত্যাকারী মিজান।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শামিনুল হক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রিয়া মনি হত্যাকান্ডের তিনদিনের মাথায় রহস্য উদঘাটনের কথা জানিয়ে বলেন, ২৫ মার্চ শরণখোলা থানায় চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের মামলা দায়ের হওয়ার পরে পুলিশের একাধিক টীম মাঠে তদন্ত শুরু করে। তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠায়। আসামীরা হচ্ছে, রফিকুল ইসলাম রুবেল (৩৫),মোঃ মিজানুর রহমান (২৩) এবং তুহিন (২১)। এদের মধ্যে আসামী মিজানুর রহমান শুক্রবার বাগেরহাট মেজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকান্ডে নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। নিহত রিয়া মনি হানিট্রাপে টাকা আদায় ও আসামীদের সাথে শারিরিক সম্পর্ক ও মাদকদ্রব্য কেনাবেচা নিয়ে নিজেদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আসামীরা রিয়া মনিকে হত্যা করেছে। অন্য আসামীদের আটকে অভিযান চলছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম রাজৈর গ্রামের একটি মসজিদের সামনের রাস্তার উপর থেকে কিশোরী ফাতেমা আক্তার রিয়া মনি (১৫) এর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রিয়া মনির পিতা মোঃ আজিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫/৬ জন আসামীর নামে শরণখোলায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১১ তারিখ ২৫.০৩.২০২৬ ধারা-৩০২/৩৪ পেনালকোড-১৮৬০।