সাল ২০১৫ তখন আমি ছাত্র। ছাত্র সংগঠন করা অবস্থায় ২০১৫ সালে মামলা খেলাম, বাবা মা স্বপ্ন দেখতো ছেলে পুলিশ অফিসার হবে, ছেলে লম্বা চাকরী করবে বাহিনীতে কিন্তু হলো না। মিথ্যা মামলা খেয়ে লাল কালি পড়লো তাই সব স্বপ্ন শেষ!!
এখন আসি মূল কথায়, মামলার জন্য চাকরি করতে পারি না, এভাবে চলতে চলতে বছরের পর বছর পেড়িয়ে গেলো স্বৈরাচার বিদায় হলো, নতুন নেতৃত্ব ও চলে আসলো। কিন্তু মিথ্যা লাল কালি মামলার জন্য বয়স বেশি হয়ে গেলো চাকরির আশা তো এখন আর হবে না! স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়ে মিথ্যা মামলায় একজন দেশপ্রেমিক যুবকের ক্যারিয়ারের কবর রচনা হলো! এর দায়ভার এখন কে নিবে ?
দেশ এখন ভালো সবাই খুশি, খুশি নয় শুধু আমার মতো হাজারো মামলার কারনে বয়স বেশি হওয়া যুবক ভাইয়েরা, যারা আজ ডিফেন্ডার চাকুরী থেকে বঞ্চিত। জাতির কাছে, স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তি ও স্বমন্বয়ক ছাত্র জনতার কাছে প্রশ্ন সৈরাচার হাসিনার মিথ্যা মামলার জন্য বাহিনির চাকরীর বয়স শেষ হওয়ার কারণে চাকরি পাচ্ছি না, এই বয়স কে মুছে দিয়ে আমাদের উপর জুলুমের ন্যায় বিচার কী আমরা পাবো না ?
আমাদের ১ টাই দাবি যেকোন বাহিনিতে ১৮ থেকে শুরু করে বয়স সীমা না রেখে সব চাকরি,তে যেন আমরা আবেদন করতে পারি। বয়সের জন্য যেন আমরা থেমে না যাই, কারন আমার এই দেশের মানুষের মুক্তির আন্দোলন করার জন্যই মিথ্যা মামলা খেয়েছি, এর প্রতিকার চাই✊✊