মাদক পাচারের অভিযোগে সন্দেহভাজন একটি নৌকায় আবারও হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন কমান্ডের তথ্যমতে, এই হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনার বিবরণ বুধবার এক বিবৃতিতে সাউদার্ন কমান্ড জানায়, মাদক পাচারের পরিচিত রুটে চলাচলকারী কয়েকটি নৌকা নিজেদের মধ্যে মাদক আদান-প্রদান করছিল। প্রথম অভিযানে একটি নৌকায় থাকা তিনজন ‘নার্কো-টেররিস্ট’ নিহত হয়। এরপর অন্য দুটি নৌকা থেকে লোকজন পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে দ্বিতীয় দফার হামলায় আরও দুজন নিহত হয় এবং নৌকাগুলো ডুবিয়ে দেওয়া হয়।
উদ্ধার অভিযান ও বিতর্ক হামলার পর বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে মার্কিন কোস্টগার্ডকে ‘সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ সিস্টেম’ সক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে একটি উল্টে যাওয়া নৌকায় পুনরায় হামলা চালিয়ে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল। কিছু ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতা একে অপরাধ হিসেবে গণ্য করলেও ট্রাম্প প্রশাসন একে আইনানুগ বলে দাবি করে আসছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এ পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযানে মোট ৩৩টি নৌকায় হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে অন্তত ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এটিকে মাদক কার্টেলের বিরুদ্ধে এক ধরনের ‘সশস্ত্র সংঘাত’ এবং মাদক প্রবাহ রোধে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে এবং ১৫ হাজারের বেশি সৈন্য মোতায়েন করেছে।



















