ছাদ বাগান দেখতে গিয়ে আটকে পড়ল ইবির শিক্ষার্থী যুগল, প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপ..

Mahfujul Haque Piyas avatar   
Mahfujul Haque Piyas
ছাদ বাগান দেখতে গিয়ে আটকে পড়ল ইবির শিক্ষার্থী যুগল, প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপ..
ছাদ বাগান দেখতে গিয়ে আটকে পড়ল ইবির শিক্ষার্থী যুগল, প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপ..
ছাদ বাগান দেখতে গিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইবনে সিনা ভবনে আটকে পড়েন ইবির শিক্ষার্থী যুগল। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ভবনের ৫ম তলার গেটে তালা লাগিয়ে দিলে তারা সেখানে আটকে পড়েন।..

ইবি প্রতিনিধি: 
ছাদ বাগান দেখতে গিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইবনে সিনা ভবনে আটকে পড়েন ইবির শিক্ষার্থী যুগল। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ভবনের ৫ম তলার গেটে তালা লাগিয়ে দিলে তারা সেখানে আটকে পড়েন। 

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

তারা হলেন, কমিউনিকেশন এন্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের ২০২৪-২৫ বর্ষের ছাত্রী শাহানা আনাম চৌধুরী ও ২০২৩-২৪ বর্ষের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা ভবনের ফার্মেসী বিভাগের পাঁচ তলায় ছাদ বাগান দেখতে যান তারা। পরে নিচে নামলে ছাদের গেইটে তালা দেওয়া দেখতে পায়। এসময় ভবনের একজন মহিলা স্টাফ এসে এই পরিস্থিতিতে দেখতে পেয়ে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষককে অবগত করেন। পরে প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা দিয়ে দুই বিভাগের দুই শিক্ষকের নিকট হস্তান্তর করা হয়। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল বারী ও অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুব বিন শাহজাহান, কমিউনিকেশন এন্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের প্রভাষক জাকির হোসেন, ফার্মেসী বিভাগের প্রভাষক রেহনুমা তানজিন প্রমূখ। 

শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান জানান, ফার্মেসী বিভাগের ছাদে সুন্দর একটি ফুল বাগান আছে। যেখানে বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি অনেকে এসে ছবি, ভিডিও করতে। তো আজকে আমরা বিকাল সোয়া তিনটার দিকে ছাদের ফুলের বাগান দেখতে আসি। পরে ফুল গাছে পানি দেই। চারটার একটু আগে নিচে নামতে চাইলে গেইটে তালা দেখতে পাই। এতে তালা খোলার জন্য ডাকাডাকি শুরু করলে একজন মহিলা আসে। একটু পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও অনেকে আসে। 

ছাত্রীর সাথে সম্পর্কের বিষয়ে মিজান বলেন, আমরা একে অপরকে ভর্তি পরীক্ষার সময় থেকেই চিনি ও একই জেলায় বাড়ি। আমরা শুধুমাত্র স্থানটি দেখতে এসেছিলাম। কিন্তু এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে বলে ধারণা ছিল না। এমন অসচেসনতায় আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।  

মহিলা স্টাফের দাবি, আমি প্রতিদিনের মতোই বিকাল তিনটা ৫০ মিনিটের দিকে ছাদের গেইট বন্ধ করে দেই। আজকে তালা মেরে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর তারা ভিতর থেকে ডাকতে থাকে। পরে বিষয়টি শিক্ষককে জানাই। 

সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি জানতে পেরে দুই বিভাগের সভাপতিকে অবগত করি। পরে তাদেরকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি। ঘটনা জেনে তাদেরকে মুচলেকা দিয়ে দুই বিভাগের দুই শিক্ষকের নিকট তাদের হস্তান্তর করে দেওয়া হয়।  রবিবার সকাল ১১ টার দিকে উভয় বিভাগ থেকে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

No comments found


News Card Generator