বৃহস্পতিবার আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল পিছিয়ে পড়া শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার পথে উৎসাহ দেওয়া। খাতা, কলম, পেন্সিলসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ পেয়ে শিশুদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছ্বাস। উপকরণ হাতে পেয়ে অনেক শিশুই নতুন বছরের প্রথম দিনে স্কুলে যাওয়ার আনন্দ প্রকাশ করে।
আয়োজকরা জানান, শুধু উপকরণ বিতরণ নয়, শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের কথা শোনা এবং শিক্ষার গুরুত্ব বোঝানোও ছিল এ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যুবদূতের সদস্যরা স্নেহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিশুদের হাতে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেন, যা শিশুদের মুখে এনে দেয় অনাবিল হাসি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুবদূতের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক শরিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, শিক্ষাই পারে একটি শিশুর জীবন বদলে দিতে। আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ যদি কোনো শিশুকে পড়াশোনার প্রতি আরও আগ্রহী করে তোলে, সেটাই আমাদের সার্থকতা।
এ সময় সংগঠনের সদস্য রিয়াজ উদ্দিন, সৌহার্দ্য, প্রান্তি, আরাফাত, হাবিবসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কর্মসূচিটি সফল করতে ভূমিকা রাখেন, আরও উপস্থিত ছিলেন মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এস এম তাজাম্মুল হোসেন ও মো: তৌহিদুল ইসলাম ।
যুবদূতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র পরিবারের শিশুদের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। নতুন বছরের শুরুতেই এ আয়োজন স্থানীয় মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।



















