প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে মোদির 'ইনস্টাগ্রাম দাওয়াই': শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন..
প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে মোদির 'ইনস্টাগ্রাম দাওয়াই': শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন..
বিবরণী: ভারতে চলমান প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি কথিত মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে নাগরিক অধিকার সংগঠন 'সিজেপি'-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সম্প্রতি দাবি করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী মোদি মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে মন্ত্রীদের 'ইনস্টাগ্রামে আরও সক্রিয়' হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দীপকে এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, "এজন্যই একজন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষিত হওয়া প্রয়োজন" এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পর ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর এমন 'সমাধান' প্রস্তাবের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অভিজিৎ দীপকের এই মন্তব্য যদি সত্য হয়, তাহলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো একটি গুরুতর এবং রাষ্ট্রীয় সমস্যা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর এমন 'অপ্রাসঙ্গিক' পরামর্শ নিঃসন্দেহে জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে ভারতের লাখ লাখ শিক্ষার্থী, যারা স্বচ্ছ পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখে, তাদের কাছে এটি একটি হতাশাজনক বার্তা হতে পারে দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটছে, যা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করছে এবং সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এমন একটি জটিল সমস্যার সমাধানে ডিজিটাল যোগাযোগ মাধ্যমের (ইনস্টাগ্রাম) ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অর্থ হলো, মূল সমস্যার গভীরে না গিয়ে উপরি কাঠামোগত একটি 'সমাধান' প্রস্তাব করা, যা সমস্যার গুরুত্বকে খাটো করে দেখায় এবং জনগণের মধ্যে সরকারের সক্ষমতা নিয়ে সংশয় তৈরি করে এই বিতর্কিত মন্তব্য ভারতের ক্ষমতাসীন দলের নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে অভিজিৎ দীপকের মন্তব্যের শেষাংশ - "এজন্যই একজন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষিত হওয়া প্রয়োজন" - সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার দিকে ইঙ্গিত করে বিরোধী দলগুলো এবং শিক্ষাবিদরা বলছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে এমন হালকা চালের মন্তব্য সরকারের দায়বদ্ধতা এবং সমস্যা সমাধানে তাদের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে দেশের যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীরা একটি স্থিতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা চায়, যেখানে তাদের মেধা ও পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হবে এমন পরিস্থিতিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকরী পদক্ষেপ আশা করা হয় এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং একটি বিস্তৃত বিতর্কের জন্ম দেবে, যা আগামী দিনে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে [সৌজন্যে: @cockroachisback (𝕏 (Twitter))]