বিহারে ছাত্র বিক্ষোভে বিজেপি কর্মীর উপর হামলা, প্রহার নিজ পতাকার দণ্ডেই..
বিহারে ছাত্র বিক্ষোভে বিজেপি কর্মীর উপর হামলা, প্রহার নিজ পতাকার দণ্ডেই..
বিহারের চলমান ছাত্র আন্দোলনে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক সমর্থককে নিজ দলের পতাকা নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের রোষানলে পড়তে হয়েছে রাজ সিং চৌধুরী নামের ওই বিজেপি কর্মীকে আন্দোলনকারীরা তারই বহন করা পতাকার দণ্ড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং ভারতের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এটি কেবল একটি হামলার ঘটনা নয়, বরং দেশটিতে চলমান রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা এবং ভিন্নমতের প্রতি ক্ষোভের এক নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে জানা যায়, বিহারের কোনো এক স্থানে শিক্ষার্থীদের একটি দাবি আদায়ের আন্দোলন চলছিল এই আন্দোলন মূলত কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানারে পরিচালিত না হলেও, সেখানে রাজ সিং চৌধুরী হাতে বিজেপির প্রতীক সংবলিত একটি পতাকা নিয়ে প্রবেশ করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি সম্ভবত আন্দোলনের গতিপথ ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে অথবা নিজেদের রাজনৈতিক উপস্থিতি জানান দিতে চেয়েছিলেন তবে তার এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয় আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে তাকে ঘিরে ফেলে এবং তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলে একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে মারধর শুরু করে সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, তাকে প্রহার করার জন্য অন্য কোনো লাঠি বা বস্তু ব্যবহার না করে, তার নিজের হাতে থাকা বিজেপির পতাকার দণ্ডটিই ব্যবহার করা হয় এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়, যেখানে দেখা যায় যে রাজ সিং চৌধুরীকে ঘিরে ধরে একদল শিক্ষার্থী তাকে মারধর করছে এবং একপর্যায়ে তাকে পতাকার দণ্ড দিয়ে আঘাত করা হচ্ছে এই ঘটনা ভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে একদল এটিকে ছাত্র আন্দোলনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছে, যেখানে বাইরের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপকে মেনে নেওয়া হয়নি অন্যদিকে, অনেকে এটিকে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার চূড়ান্ত রূপ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিবাদে ভিন্নমতের প্রতি সহিংস আচরণের দৃষ্টান্ত হিসেবে নিন্দা জানিয়েছেন প্রশ্ন উঠেছে, একজন ব্যক্তি নিজের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে কোনো আন্দোলনে যোগ দিতে পারবেন কিনা, এবং সেই ক্ষেত্রে তার উপর এমন হামলা কতটা যৌক্তিক এই ঘটনা বিহারের ছাত্র রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং আগামী দিনগুলোতে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব দেখা যেতে পারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও আসেনি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ [সৌজন্যে: @rajsingh_jakhar (𝕏 (Twitter))]