সংবাদ পরিবেশন
সংবাদ পরিবেশন
রাজপথে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস; দিল্লিতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: ভারতে উত্তাল প্রতিবাদ, পুলিশের লাঠিচার্জে আহত বহু বিবরণী: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গতকাল ২৫শে জুলাই এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হলো বিশ্ব সংসদের সড়ক এবং টলস্টয় সড়কের সংযোগস্থলে এক শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ এই হামলায় পুলিশের লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে ঘটনার সূত্রপাত হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি জানালেও, পুলিশি তাণ্ডবে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে এই ঘটনা ভারতের ছাত্র সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এর প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ভিডিওটিতে দেখা গেছে, শিক্ষার্থী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ বলপ্রয়োগ করছে তাদের হাতে লাঠি এবং কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের চিৎকারে এক উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এই ধরনের দমনমূলক আচরণ ভারতের গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থী বলে সমালোচকরা মন্তব্য করেছেন শিক্ষাক্ষেত্রে সুশাসন এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষার পরিবর্তে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আন্দোলন দমনের এই কৌশল ভারতের ছাত্র রাজনীতিতে এক কালো অধ্যায় যোগ করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে এই ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের দাবি শোনা এবং তাদের সাথে আলোচনা করা পুলিশের দায়িত্ব, তাদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো নয় ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা এই ঘটনা শুধুমাত্র ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্ন উত্থাপন করেছে এই সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং ন্যায়বিচারের দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে উল্লেখযোগ্য যে, লাইসিপ্রিয়া কাঙ্গুজাম নামক এক তরুণী আন্দোলনকারীকেও এই বিক্ষোভে দেখা গেছে তিনি নিজেও বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে সরব হয়েছেন এই ঘটনায় তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, ভারতের তরুণ প্রজন্ম দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কতটা উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীদের ওপর এই হামলা ভবিষ্যতে ভারতের ছাত্র আন্দোলনকে কোন পথে নিয়ে যাবে, তা এখন দেখার বিষয় তবে, এই ঘটনার ফলে সৃষ্ট ক্ষোভ ও হতাশা সহজে মিটবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: @licypriyak (𝕏 (Twitter))]