প্রশ্নফাঁস ও ছাত্রক্ষোভে ভারত: কেজরিওয়াল-ঠাকরের জরুরি বৈঠক..
প্রশ্নফাঁস ও ছাত্রক্ষোভে ভারত: কেজরিওয়াল-ঠাকরের জরুরি বৈঠক..
বিবরণী: ভারতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নীট’ (NEET)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে দেশজুড়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছেন এবং এই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন এমন এক উত্তাল পরিস্থিতিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে) নেতা উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ক্ষমতাসীনদের ওপর চাপ বাড়িয়েছে জানা গেছে, মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং উদ্ধব ঠাকরে উভয়ই নীট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে কেজরিওয়াল প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেন তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং তাদের মানসিক যন্ত্রণার কথা তুলে ধরে অবিলম্বে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান কেজরিওয়াল বলেন, প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের প্রতি সরাসরি আঘাত এবং এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তিকে দুর্বল করে দিচ্ছে অন্যদিকে, উদ্ধব ঠাকরেও কেজরিওয়ালের সঙ্গে একমত পোষণ করে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন জানান এবং এই ঘটনার জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এই বৈঠককে ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান ঐক্যের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে নীট প্রশ্নফাঁসের মতো একটি জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দুই শীর্ষস্থানীয় বিরোধী নেতার একত্রিত হওয়া ক্ষমতাসীন বিজেপির ওপর চাপ বাড়াবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত এই সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে বিরোধী দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা সারাদেশে আরও ব্যাপক আন্দোলন ও প্রতিবাদকে উৎসাহিত করতে পারে প্রশ্নফাঁসের ঘটনার ফলে সৃষ্ট জনবিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আগামী দিনগুলোতে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে শিক্ষা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার দাবি কেন্দ্রীয় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠবে এই ধরনের কেলেঙ্কারি শুধু শিক্ষার্থীদের মনোবলই ভেঙে দেয় না, বরং রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার প্রতি জনআস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে [সৌজন্যে: @aamaadmiparty (𝕏 (Twitter))]