প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বিজিএমইএ: পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ আলোচনা..

Bir sonraki

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বিজিএমইএ: পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ আলোচনা..

0 Views· 22/07/26
MD Satu
MD Satu
Aboneler
0
İçinde

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পোশাক খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর একটি প্রতিনিধিদল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি দেশের অর্থনৈতিক মহলে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করছে বিজিএমইএ সভাপতিসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পোশাক শিল্পের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন আলোচনায় মূলত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যস্ফীতির চাপ, কাঁচামালের উচ্চমূল্য, গ্যাস-বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং নতুন বাজার অনুসন্ধানের মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পায় বিজিএমইএ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান যে, প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে সরকারি নীতি সহায়তা অপরিহার্য তারা পোশাক শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান বিশেষ করে, বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ বজায় রাখার জন্য চলমান বিনিয়োগ এবং এর বিপরীতে সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের বক্তব্য অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং দেশের অর্থনীতিতে পোশাক খাতের অনবদ্য অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন তিনি আশ্বাস দেন যে, সরকার পোশাক শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই খাতের সমস্যা সমাধানে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকের পর পোশাক শিল্পের জন্য নতুন কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত বা প্রণোদনা প্যাকেজ নিয়ে সরকার কাজ করতে পারে দেশের প্রধান রপ্তানিমুখী শিল্পের সঙ্গে সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই যোগাযোগ একদিকে যেমন শিল্প উদ্যোক্তাদের আস্থা বাড়াবে, তেমনি দেশের প্রধান রপ্তানি খাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]

Daha fazla göster

 0 Yorumlar sort   Göre sırala


Bir sonraki