"পিস্তল হাতে পুলিশেরা ভুলেছে শিক্ষার মর্ম": অখিলেশের কড়া বার্তা..
"পিস্তল হাতে পুলিশেরা ভুলেছে শিক্ষার মর্ম": অখিলেশের কড়া বার্তা..
বিবরণী: ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব সম্প্রতি এক বিস্ফোরক মন্তব্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষত রামপুরের জওহর বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট চলমান বিতর্কের আবহে তার এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে পিস্তল হাতে যারা শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে উদ্যত হয়েছে, তাদের উদ্দেশ্যে অখিলেশ যাদব কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা ভুলে গেছে যে যদি তাদের নিজেদের পড়াশোনা মাঝপথে থেমে যেত, তবে হয়তো আজ পুলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ চাকরি তাদের হাতে আসত না এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি প্রকারান্তরে শিক্ষা ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মধ্যেকার সম্পর্ক এবং জবাবদিহিতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তুলেছেন অখিলেশ যাদব তার বক্তব্যে আরও দৃঢ়তার সাথে বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই আগ্রাসী শক্তি দ্বারাই ভাঙা হয়েছে, এবং এর বেশি কিছু বলার নেই" তার এই কথা জওহর বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিভিন্ন ঘটনা এবং এর বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের দিকে ইঙ্গিত করে সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খান প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতায় জর্জরিত এমন এক প্রেক্ষাপটে অখিলেশের এই বক্তব্য কেবল একটি নির্দিষ্ট ঘটনার সমালোচনা নয়, বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ভিন্নমত দমনের একটি বৃহত্তর চিত্র তুলে ধরে তিনি পুলিশ বা কর্তৃপক্ষের এমন আচরণকে "আগ্রাসী" শক্তির কাজ বলে আখ্যায়িত করে শিক্ষার পবিত্রতা রক্ষায় তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন অখিলেশ যাদবের এই মন্তব্য ভারতীয় রাজনীতিতে, বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশে, তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে বিরোধী দলের একজন শীর্ষ নেতা হিসেবে তিনি ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার এবং তাদের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বানানোর অভিযোগ তুলেছেন তার বক্তব্য একদিকে যেমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তাদের দায়িত্ব ও নৈতিকতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, তেমনি অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা ও স্বাধীনতার গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে উৎসাহিত করেছে এই বার্তা কেবল জওহর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটে সীমাবদ্ধ না থেকে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শিক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পারস্পরিক সহাবস্থানের মৌলিক প্রশ্নটিকে সামনে এনেছে এই ধরনের সাহসী ও সমালোচনামূলক বক্তব্য প্রায়শই রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয় এবং সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে অখিলেশের বক্তব্য সেইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাবিদদের প্রতিও সংহতি প্রকাশ করে, যারা রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের শিকার সামগ্রিকভাবে, তার এই বার্তা ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে শিক্ষা ও ন্যায়বিচারের গুরুত্ব নিয়ে একটি নতুন আলোচনার সূত্রপাত করবে এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন [সৌজন্যে: @yadavakhilesh (𝕏 (Twitter))]