নাটোর দিকে ইউক্রেন, ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ: ইউরোপের নিরাপত্তায় নতুন দিগন্ত
নাটোর দিকে ইউক্রেন, ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ: ইউরোপের নিরাপত্তায় নতুন দিগন্ত
বিবরণী: ইউক্রেন ও যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর যৌথ মহড়া 'সী ব্রীজ'-এর সফল সমাপ্তি ইউরোপের নিরাপত্তা পরিমণ্ডলে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এন্ডি বার্নহ্যামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নাবিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিশেষ করে, নৌ-মাইন অপসারণে ইউক্রেনীয় বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি প্রদর্শিত হওয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এই মহড়া উভয় দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ন্যাটোর সঙ্গে ইউক্রেনের ঘনিষ্ঠতা আরও জোরালো হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে 'সী ব্রীজ' মহড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল মাইন অপসারণে ইউক্রেনীয় সেনাদের দক্ষতা এই ধরনের মহড়া কেবল দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা বৃদ্ধিই করে না, বরং তা বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, ইউক্রেন তার সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তৎপর এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হচ্ছে ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে ইউক্রেনের নৌবাহিনী এবং সামগ্রিকভাবে সে দেশের সশস্ত্র বাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার মাধ্যমে মহাদেশের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এই মহড়ায় অংশগ্রহণকারী ইউক্রেনীয় ও ব্রিটিশ নাবিকদের তাদের নিবেদিত সেবা ও পেশাদারিত্বের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি সকল অংশীদার দেশকে তাদের নিরন্তর সমর্থনের জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই ধরনের আন্তর্জাতিক মহড়া যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝেও শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার এক সম্মিলিত প্রয়াসকে তুলে ধরে এটি কেবল সামরিক সক্ষমতাই প্রদর্শন করে না, বরং একটি ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের বার্তা দেয়, যা বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ইউক্রেন ও যুক্তরাজ্যের এই যৌথ উদ্যোগ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাকে পুনরায় তুলে ধরেছে ন্যাটোর সঙ্গে ইউক্রেনের সম্পর্ক গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ধরনের সামরিক মহড়াগুলো মহাদেশের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে এর ফলে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং যেকোনো আগ্রাসন প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী জোট গড়ে তোলা সহজ হবে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]