মোদীকে ধন্যবাদ জানালেন আন্দোলনকারী: 'সরানো না হলে আন্দোলন এত বড় হতো না'..

הבא

মোদীকে ধন্যবাদ জানালেন আন্দোলনকারী: 'সরানো না হলে আন্দোলন এত বড় হতো না'..

0 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 מנויים
3
ב

বিবরণী: ভারতের রাজধানী দিল্লির জ-মন্তরে চলমান এক বিক্ষোভ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে আন্দোলনকারী অভিকজিৎ দীপের একটি মন্তব্য সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন দীপের মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদী যদি আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককে জ-মন্তর থেকে সরিয়ে না দিতেন, তাহলে তাদের আন্দোলন আজকের এই বিশাল আকার ধারণ করত না এই মন্তব্য ভারতের রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং বিরোধীরা মোদী সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে সমালোচনার সুযোগ পেয়েছে এই ঘটনার প্রেক্ষাপট বুঝতে হলে, সোনম ওয়াংচুকের ভূমিকা সম্পর্কে জানা জরুরি ওয়াংচুক একজন সুপরিচিত প্রকৌশলী এবং শিক্ষাবিদ, যিনি তার উদ্ভাবনী কাজের জন্য পরিচিত তিনি সম্প্রতি লাদাখের অধিকার এবং উন্নয়নের দাবিতে একটি অনশন শুরু করেছিলেন, যা পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে আলোচিত হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠী এই আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে জ-মন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে দীপের মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, ওয়াংচুককে আন্দোলন মঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি আন্দোলনকারীদের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে এটি আন্দোলনকে আরও বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করতে এবং বৃহত্তর জনসমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছে বলে মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক দীপের এই মন্তব্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদীর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে, যদিও তা ধন্যবাদ জ্ঞাপনের ছলে বিরোধীরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকারের দমনমূলক নীতির সমালোচনা করছে তাদের মতে, সরকার ভিন্নমতকে দমন করার চেষ্টা করছে এবং এটি তারই একটি উদাহরণ অন্যদিকে, সরকার বা তাদের সমর্থকরা এই অভিযোগ অস্বীকার করতে পারে এবং বলতে পারে যে, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এই ঘটনাটি ভারতের রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে এবং আসন্ন নির্বাচনে এটি একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায়ের জন্য যে কোনও কৌশল অবলম্বন করতে প্রস্তুত, তা এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট জ-মন্তরের এই আন্দোলন এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মন্তব্যগুলো ভারতের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে অভিকজিৎ দীপের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে আন্দোলনকারীরা কীভাবে এই ইস্যুটিকে কাজে লাগায় এবং সরকার কীভাবে এর মোকাবিলা করে, তা আগামী দিনে ভারতের রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই ঘটনাটি শুধুমাত্র একটি আন্দোলন বা একটি মন্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ভারতের বৃহত্তর রাজনৈতিক এবং সামাজিক চিত্রকেই তুলে ধরেছে [সৌজন্যে: @akshaypratap94 (𝕏 (Twitter))]

להראות יותר

 0 הערות sort   מיין לפי


הבא