জেলেনস্কি-লি'র প্রথম সাক্ষাৎ: ইউক্রেনকে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে দক্ষিণ কোরিয়া..

Als nächstes

জেলেনস্কি-লি'র প্রথম সাক্ষাৎ: ইউক্রেনকে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে দক্ষিণ কোরিয়া..

0 Views· 27/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Abonnenten
3
Im

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ংয়ের মধ্যে প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এই ঐতিহাসিক বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়া যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের জন্য ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি ব্যাপক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে রুশ আগ্রাসনের মুখে যখন ইউক্রেন আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন দক্ষিণ কোরিয়ার মতো একটি অর্থনৈতিক পরাশক্তির এমন আর্থিক প্রতিশ্রুতি কিয়েভের জন্য নিঃসন্দেহে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে এই বৈঠককে ইউক্রেনের টিকে থাকা ও পুনর্গঠনের চলমান প্রক্রিয়ায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাদের এই প্রথম সাক্ষাতে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত উভয় দেশই ফলপ্রসূ সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী এবং আজকের বৈঠকে দুই দেশের জন্য যা প্রয়োজন, সে বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে জেলেনস্কি দক্ষিণ কোরিয়ার এই ১০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যাপক সহায়তা প্যাকেজের সিদ্ধান্তের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই অর্থ ইউক্রেনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় করা হবে, যার মধ্যে থাকতে পারে মানবিক সহায়তা, বিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক বিষয়াদি ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট তাঁর দলকে আজকের বৈঠকে আলোচিত সকল বিষয় নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান এই ১০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ইউক্রেনের যুদ্ধকালীন অর্থনীতি এবং মানবিক সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন এর মাধ্যমে ইউক্রেনের চিকিৎসাসেবা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো মেরামত এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরাসরি প্রভাব পড়বে একই সাথে, এটি দক্ষিণ কোরিয়ার বৈশ্বিক মানবিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক দায়বদ্ধতারও একটি প্রতিফলন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যখন অনেক দেশই তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছে, তখন দক্ষিণ কোরিয়ার এই সমর্থন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কিয়েভের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে এই বৈঠক ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]

Zeig mehr

 0 Bemerkungen sort   Sortiere nach


Als nächstes