গণতন্ত্রের প্রশ্নে ছাত্রদের রাষ্ট্রগান, পুলিশের নির্দয় লাঠিচার্জ..

تا بعدی

গণতন্ত্রের প্রশ্নে ছাত্রদের রাষ্ট্রগান, পুলিশের নির্দয় লাঠিচার্জ..

1 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 مشترکین
3
که در

বিবরণী: প্রতিবেশী একটি দেশে চলমান এক ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্মম লাঠিচার্জ এবং টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি মর্মস্পর্শী ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ যখন প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের উপর নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে, তখনও তারা উচ্চস্বরে নিজেদের জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে প্রতিরোধ করে চলেছে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর এমন বর্বর আচরণ মুহূর্তেই দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নিন্দার জন্ম দিয়েছে ভিডিওতে সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনরত ছাত্রদের দিকে নির্মমভাবে তেড়ে যাচ্ছেন, তাদের উপর বেপরোয়াভাবে লাঠিপেটা করছেন এবং অনেককে জোরপূর্বক টেনে হিঁচড়ে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন তবে অবাক করার বিষয় হলো, এই কঠোর দমন-পীড়নের মুখেও শিক্ষার্থীরা নিজেদের অটুট মনোবল নিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের পঙ্‌ক্তিমালা উচ্চারণ করে যাচ্ছিল নিপীড়নের মুখে দেশপ্রেমের এই অনন্য প্রদর্শনী একদিকে যেমন ছাত্রদের দৃঢ় সংকল্পকে তুলে ধরেছে, তেমনি অন্যদিকে রাষ্ট্রযন্ত্রের অসহিষ্ণুতাকেও প্রকটভাবে উন্মোচন করেছে প্রশ্ন উঠেছে, দেশপ্রেমের সর্বোচ্চ প্রতীক জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মুহূর্তেও কি তাদের দেশদ্রোহী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে? এই ঘটনা কেবল শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয় নয়, বরং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাক স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারের উপরও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে মানবাধিকার কর্মীরা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন নির্দয় আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তারা বলছেন, জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের দেশপ্রেম এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অঙ্গীকারই ব্যক্ত করেছে, যা কোনো অবস্থাতেই দমন-পীড়নের যোগ্য নয় বরং, এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের একটি মৌলিক অংশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি উঠেছে সর্বমহল থেকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তরুণ প্রজন্মের এই প্রতিবাদ এবং তার প্রতি রাষ্ট্রযন্ত্রের এমন কঠোর মনোভাব ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সংঘাতের জন্ম দিতে পারে যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ অপরিহার্য এবং সরকারের উচিত আন্দোলনকারীদের কথা শোনা ও তাদের দাবি বিবেচনা করা, কেবল দমন করা নয় এই ঘটনা সংশ্লিষ্ট দেশটির ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক মহলে গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন করেছে বলেও বিশ্লেষকরা মত দিয়েছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে [সৌজন্যে: @ramraajya (𝕏 (Twitter))]

بیشتر نشان بده، اطلاعات بیشتر

 0 نظرات sort   مرتب سازی بر اساس


تا بعدی