গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে সহিংসতা লজ্জাজনক: থারুরের কাছে শিক্ষার্থীদের লোমহর্ষক বর্ণনা..

Susunod

গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে সহিংসতা লজ্জাজনক: থারুরের কাছে শিক্ষার্থীদের লোমহর্ষক বর্ণনা..

0 Views· 21/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Mga subscriber
3
Sa

ভারতের গণতান্ত্রিক পরিসরে সম্প্রতি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশি বর্বরতার অভিযোগ উঠেছে বারবার এরই ধারাবাহিকতায়, প্রখ্যাত কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য ড. শশী থারুরের কার্যালয়ে এক মর্মান্তিক দৃশ্য দেখা গেছে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে অসংখ্য শিক্ষার্থী তাদের ওপর চালানো পুলিশি নির্যাতনের লোমহর্ষক বিবরণ তুলে ধরেছেন ভিডিওতে দেখা যায়, ড. থারুর অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শিক্ষার্থীদের কথা শুনছেন, যেখানে তারা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে শারীরিক ও মানসিক নিপীড়নের শিকার হওয়ার কথা বলছেন এই ঘটনা ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর এক গুরুতর প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা শিক্ষার্থীরা তাদের বিবৃতিতে, কিভাবে তাদের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ জমায়েতে টিয়ার গ্যাস ও জল কামান ব্যবহার করা হয়েছে এবং অনেককে বিনা কারণে আটক করে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে, তার বিস্তারিত বর্ণনা দেন তাদের চেহারায় ও কণ্ঠে স্পষ্ট ছিল সেই ভীতিকর অভিজ্ঞতা এই বিবরণ শুনে ড. শশী থারুর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেন, "কোনো গণতন্ত্রই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের জবাব সহিংসতা দিয়ে দিতে পারে না এটা চরম অসম্মানজনক" তার এই মন্তব্য ভারতসহ বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে গণতন্ত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে শিক্ষার্থীদের ওপর এমন বর্বরতা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান প্রতিবাদ-বিক্ষোভে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগের একটি অংশ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বা কৃষি আইন (বর্তমানে বাতিল) সহ বিভিন্ন সরকারি নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র ও সাধারণ মানুষের প্রতিবাদে পুলিশের কঠোর অবস্থান বরাবরই সমালোচিত হয়েছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার মৌলিক কিন্তু এই ধরনের পুলিশি নিপীড়ন কেবল সেই অধিকারকেই খর্ব করে না, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ককেও ক্ষতিগ্রস্ত করে এটি অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে যে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভিন্নমত পোষণকারীদের প্রতি রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন কতটা মারাত্মক হতে পারে ড. থারুরের মতো প্রবীণ রাজনীতিবিদদের এমন ঘটনার সাক্ষী হওয়া এবং এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া প্রমাণ করে যে, দেশের অভ্যন্তরেও এই ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর বিদ্যমান এখন প্রশ্ন উঠেছে, শিক্ষার্থীদের এই লোমহর্ষক অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি কোনো তদন্তের উদ্যোগ নেবে, নাকি বরাবরের মতোই এসব অভিযোগ ধামাচাপা পড়ে যাবে? গণতন্ত্রকে অর্থবহ করতে হলে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের ওপর যেকোনো ধরনের সহিংসতা বন্ধ করা এবং অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা অপরিহার্য [সৌজন্যে: @tharooroffice (𝕏 (Twitter))]

Magpakita ng higit pa

 0 Mga komento sort   Pagbukud-bukurin Ayon


Susunod