দিল্লিতে দেশভাগের ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ জড়িত: ভারতীয় নেতার বিস্ফোরক অভিযোগ..

Als nächstes

দিল্লিতে দেশভাগের ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ জড়িত: ভারতীয় নেতার বিস্ফোরক অভিযোগ..

0 Views· 22/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Abonnenten
3
Im

ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রাণকেন্দ্র জন্তর মন্তরে চলমান এক বিক্ষোভকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন দেশটির একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা আসনের সংসদ সদস্য ড. নিশিকান্ত দুবে তিনি দাবি করেছেন, খালিস্থানপন্থী স্লোগান ও তলোয়ার প্রদর্শনের মাধ্যমে ভারতে দেশভাগের এক গভীর চক্রান্ত চলছে, যার পেছনে রয়েছে 'ইসলামিক ফ্রন্ট' নামক একটি সংগঠন তার অভিযোগের তীর সরাসরি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দিকে, যেখানে তিনি বলেছেন এই চক্রান্তকারী গোষ্ঠীগুলো ঐ দুটি দেশ থেকে সমর্থন পাচ্ছে ড. দুবের এই বিস্ফোরক মন্তব্য ভারতীয় রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে আজ সকালে দেওয়া তার এক মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে ড. নিশিকান্ত দুবে জানান, শিক্ষার্থীরা ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে দেশভাগের ষড়যন্ত্র করছে তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন, "আজ সকালেই আমি বলেছিলাম যে, জন্তর মন্তরে খালিস্থান সমর্থক স্লোগান, তলোয়ার প্রদর্শন এবং ইসলামিক ফ্রন্ট, যাদের পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে সমর্থন আছে, তারা শিক্ষার্থী সমর্থনের নামে দেশ বিভাজনের ষড়যন্ত্র করছে" এমন একটি মারাত্মক অভিযোগ, যা ভারতের একটি শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে এসেছে, তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং কূটনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এই ধরনের অভিযোগ বাংলাদেশের কূটনৈতিক মহলে গভীর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বরাবরই উগ্রবাদ, মৌলবাদ এবং আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করেছে দেশের মাটি ব্যবহার করে অন্য কোনো দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির প্রচেষ্টাকে বাংলাদেশ কখনোই সমর্থন করে না এবং অতীতেও এ ধরনের কার্যকলাপ কঠোর হস্তে দমন করেছে ভারতের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যে অঙ্গীকার, তার পরিপ্রেক্ষিতে এমন অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং অপ্রত্যাশিত ড. নিশিকান্ত দুবের এই অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী প্রতিক্রিয়া জানায়, সেদিকে এখন সবার দৃষ্টি যদিও এই মন্তব্য ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কের অংশ হতে পারে, তবে বাংলাদেশের নাম সরাসরি উল্লেখ করায় এটি দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেললে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব নিরসনে উভয় দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যেকোনো অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: @nishikant_dubey (𝕏 (Twitter))]

Zeig mehr

 0 Bemerkungen sort   Sortiere nach


Als nächstes