ভোটের আগে অস্বস্তিতে বিজেপি: সাংবাদিকের প্রশ্নে এড়ালেন মন্ত্রী-বিধায়ক..

Als nächstes

ভোটের আগে অস্বস্তিতে বিজেপি: সাংবাদিকের প্রশ্নে এড়ালেন মন্ত্রী-বিধায়ক..

1 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Abonnenten
3
Im

ভারতের ছપરા জেলায় অনুষ্ঠিত একটি সভায় বিজেপি বিধায়ক মৈথিলী ঠাকুরকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একজন সাংবাদিক তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ করা উচিত কিনা, সে বিষয়ে প্রশ্ন করেন এই প্রশ্ন শুনে বিধায়ক মৈথিলী ঠাকুর অস্বস্তিতে পড়েন এবং কোনো উত্তর না দিয়েই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন ঘটনাটি ভারতের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ভিডিওটিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, সাংবাদিক মৈথিলী ঠাকুরকে সরাসরি জিজ্ঞেস করছেন, "ধর্মেন্দ্র প্রধানের কি পদত্যাগ করা উচিত?" এই প্রশ্নটি ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মেন্দ্র প্রধান, যিনি দেশের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রী, সম্প্রতি কিছু বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য সমালোচিত হয়েছেন তার মন্তব্যের জেরে রাজনৈতিক দলগুলো তার পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছে এই পরিস্থিতিতে, মৈথিলী ঠাকুরের এই প্রতিক্রিয়া দলটির জন্য একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে এই ঘটনাটি কেবল একটি স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলের একটি ছোট ঘটনা হিসেবে দেখা হলেও, এর তাৎপর্য অনেক গভীর আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে, রাজনৈতিক দলগুলো ভোটারদের মন জয় করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এই সময়ে, যেকোনো ধরনের বিতর্ক বা নেতিবাচক প্রচার দলগুলোর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে মৈথিলী ঠাকুরের এই দ্রুত প্রতিক্রিয়া এটাই প্রমাণ করে যে, বিজেপি এই মুহূর্তে ধর্মেন্দ্র প্রধান সম্পর্কিত কোনো আলোচনা এড়াতে চাইছে এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিভেদ বা কোনো নির্দিষ্ট কৌশলের অংশ হতে পারে, যা এখনও স্পষ্ট নয় ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মৈথিলী ঠাকুর কেন প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন? তিনি কি ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিষয়ে অবগত নন, নাকি দলের পক্ষ থেকে তাকে এ বিষয়ে কথা বলতে বারণ করা হয়েছে? এই ঘটনার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব কী হতে পারে, তা এখনই বলা মুশকিল তবে, এটি নিশ্চিত যে, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপিকে আরও অনেক কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে এই ঘটনাটি ভারতীয় রাজনীতিতে বিতর্কের এক নতুন অধ্যায় খুলে দিয়েছে [সৌজন্যে: @chaprazila (𝕏 (Twitter))]

Zeig mehr

 0 Bemerkungen sort   Sortiere nach


Als nächstes