আন্দোলনের অর্থায়ন: তৃতীয় লিঙ্গের নেহার দৃপ্ত ঘোষণা, 'আমিই দিচ্ছি!'..

পরবর্তী আসছে

আন্দোলনের অর্থায়ন: তৃতীয় লিঙ্গের নেহার দৃপ্ত ঘোষণা, 'আমিই দিচ্ছি!'..

0 ভিউ· 24/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 সাবস্ক্রাইবার
3
ভিতরে

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের আর্থিক উৎস নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠেছে, ঠিক তখনই একটি চমকপ্রদ ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে প্রতিবাদের অর্থায়ন নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) একজন সক্রিয় কর্মী নেহা ভারতী যে উত্তর দিয়েছেন, তা শুধু অকপটই নয়, বরং এক নতুন বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটিতে দেখা যায়, সাংবাদিক যখন আন্দোলনের অর্থের উৎস জানতে চাইছেন, তখন নেহা ভারতী দৃঢ় কণ্ঠে সেই প্রশ্নের মোকাবিলা করেন, যা প্রচলিত ধারার গণমাধ্যমকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে এই ঘটনা একদিকে যেমন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সক্ষমতা ও স্বাবলম্বিতার পরিচয় বহন করে, অন্যদিকে তেমনি আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও অর্থায়ন বিষয়ক প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে ভিডিওতে দেখা যায়, একজন সাংবাদিক প্রতিবাদের আর্থিক সংস্থান কোথা থেকে আসছে তা জানতে চাইলে, নেহা ভারতী কোনো দ্বিধা ছাড়াই সরাসরি জবাব দেন তিনি বলেন, "আমিই এই প্রতিবাদের অর্থায়ন করছি, আমিই তহবিল দিয়েছি আমার মতো আরও অনেকেই এর পেছনে অর্থ ঢেলেছেন" নেহার এই অকপট ও সাহসী জবাব তাৎক্ষণিকভাবে সাংবাদিকের প্রশ্নকে নিরস্ত করে দেয় এই উত্তরের মাধ্যমে তিনি কেবল নিজস্ব সক্ষমতার পরিচয় দেননি, বরং বৃহত্তর তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত শক্তি ও সংহতিকেও তুলে ধরেছেন সাধারণত, যখন কোনো প্রতিবাদের অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন প্রায়শই বিদেশি বা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অন্বেষণ করা হয়, যা অনেক সময় আন্দোলনের মূল লক্ষ্যকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে কিন্তু নেহার এই উত্তর সেই ধারণাকে একেবারেই পাল্টে দেয়, যেখানে প্রতিবাদের মূল শক্তি যে সাধারণ মানুষ ও তাদের নিজেদের সক্ষমতা থেকেই আসতে পারে, তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয় নেহা ভারতীর এই জবাব শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট আন্দোলন বা তার অর্থায়নের বিষয় নয়, বরং এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী প্রথমত, এটি সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের প্রতি বিদ্যমান নেতিবাচক ধারণা ভাঙতে সাহায্য করবে তাদের শুধুমাত্র প্রান্তিক বা সমাজের বোঝা হিসেবে না দেখে, যে তারা সামাজিক পরিবর্তনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সমর্থন জোগাতে সক্ষম, সেই বার্তা প্রতিষ্ঠিত হলো দ্বিতীয়ত, এটি গণমাধ্যমের একশ্রেণির অনুসন্ধানের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে অনেক সময় দেখা যায়, আন্দোলনের যৌক্তিকতা বা মূল বার্তা বাদ দিয়ে তার পেছনের 'গোপন' অর্থায়নের উৎস খুঁজতে গিয়ে মূল প্রসঙ্গটিই হারিয়ে যায় নেহার উত্তর এই প্রবণতাকে চ্যালেঞ্জ করে দেখিয়ে দিয়েছে যে, সমাজের নিচুতলার মানুষের মধ্যেও নিজস্ব উদ্যোগ ও সংহতির শক্তি কতটা প্রবল হতে পারে এটি গণমাধ্যমকে আরও সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীলতার সাথে সংবাদ পরিবেশনে উৎসাহিত করবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, সামাজিক পরিবর্তনের জন্য জনগণের নিজস্ব অঙ্গীকার ও প্রচেষ্টা কতটা শক্তিশালী হতে পারে, যা কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক উৎসের উপর নির্ভরশীল না হয়েও কার্যকর থাকতে পারে [সৌজন্যে: @iamnehabhart (𝕏 (Twitter))]

আরো দেখুন

 0 মন্তব্য sort   ক্রমানুসার


পরবর্তী আসছে