Mga nangungunang video | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
Mga nangungunang video
ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে (পূর্বতন এলাহাবাদ) মঙ্গলবার এক অভূতপূর্ব প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের অন্যতম বৃহত্তম বিরোধী দল রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) কর্তৃক প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, চাকরির পরীক্ষাগুলোতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী, যুবক এবং অভিভাবকরা একযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘কাপুরুষ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন বিক্ষোভকারীরা বিজেপি-সমর্থিত, সংরক্ষিত এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ‘প্রতারণা ও দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন, যা ভারতের যুব সমাজের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলেছে বলে অভিযোগ তাদের ভারতের কর্মসংস্থান খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা এবং ধারাবাহিকভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা দেশটির লাখ লাখ তরুণ-তরুণীর স্বপ্নকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে সরকারি চাকরির জন্য বছরের পর বছর ধরে প্রস্তুতি নেওয়া সত্ত্বেও, পরীক্ষার প্রাক্কালে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাগুলো তাদের মধ্যে গভীর হতাশা ও ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে ভিডিওতে প্রদর্শিত স্লোগান — "নরেন্দ্র মোদী কায়েব হ্যায়! কায়েব হ্যায়! কায়েব হ্যায়!" — কেবল একটি প্রতিবাদের ধ্বনি নয়, এটি ভারতের তরুণ প্রজন্মের জমে থাকা ক্ষোভ ও অসহায়ত্বেরই প্রতিচ্ছবি এই ধরনের জালিয়াতি কেবল মেধার অবমূল্যায়নই করে না, বরং দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জনসাধারণের আস্থা তলানিতে নিয়ে যায় বিশেষ করে বিরোধী দলগুলো, যেমন আরজেডি, এই সমস্যাটিকে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একটি প্রধান রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে তারা অভিযোগ করছে যে ক্ষমতাসীন দল এই অনিয়মগুলোকে দমন করতে ব্যর্থ হচ্ছে অথবা পরোক্ষভাবে এর সুবিধা দিচ্ছে এই প্রতিবাদ সমাবেশগুলো প্রমাণ করে যে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে কর্মসংস্থান এবং স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয় হয়ে উঠেছে প্রয়াগরাজের এই আন্দোলন দেশের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে এবং আসন্ন নির্বাচনগুলোতে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে তরুণ সমাজের এই ক্ষোভকে সরকার কীভাবে সামাল দেয়, তার ওপরই নির্ভর করছে বিজেপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ [সৌজন্যে: @rjdforindia (𝕏 (Twitter))]
ছাত্রনেতা শামীমকে হত্যার চেষ্টা: পাঁচবিবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ
নাঙ্গলকোট উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের কমিটির গঠন
লাহিড়ী বাজারে মোটরসাইকেল চোর জনতার হাতে আটক
ঢাকার প্রবেশ মুখে গাবতলী আমিনবাজার প্রকাশ্যে চলছে মাদক ব্যবসা। মাদক বিরোধী অভিযানে এবার ছাত্র সমাজ। প্রশাসনের নাই কোন তদারকি, এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে রাম রাম মাদকের ব্যবসা। কেবা কাহারা জড়িত নেই কোন নির্দিষ্ট নাম।
বিবরণী: সম্প্রতি ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা পেঁয়াজ চালানের উপর নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে এর ফলে বেনাপোল স্থলবন্দরে পেঁয়াজ খালাস প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা দেখা দিয়েছে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো বন্দরে আটকা পড়ে থাকায় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এই তল্লাশির ফলে পেঁয়াজের দাম আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের জন্য আরও ভোগান্তির কারণ হবে জানা গেছে, প্রতি চালানে বিপুল পরিমাণে পেঁয়াজ আসার পরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিটি ট্রাকের উপর কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে এমনকি, কিছু ক্ষেত্রে ট্রাকের চালকদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাওয়া হচ্ছে, যা তাদের মধ্যে বিরক্তি সৃষ্টি করছে অনেকের মতে, এভাবে সাধারণ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হচ্ছে, যেখানে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এভাবে তল্লাশি করলে পণ্যের অপচয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি দ্রুত সরবরাহেও বাধা সৃষ্টি করবে এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে, অনেকে প্রশ্ন তুলছেন যে দেশের বাজারে সরবরাহের অভাব বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে কিনা সরকারি নিয়ম-নীতির প্রয়োগে যদি সামান্য ত্রুটিও থাকে, তবে তা দ্রুত সমাধান করা উচিত কেননা, কৃষকের উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে বাজারে না পৌঁছালে তারা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হন, তেমনি অন্যদিকে ভোক্তাদের চড়া দামে পণ্য কিনতে হয় এই অবস্থা দেশের খাদ্য সরবরাহ চেইন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে তাই, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান এবং স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন [সৌজন্যে: @ashokdanoda (𝕏 (Twitter))]
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অধিকার ও বিচার চাইতে গিয়ে পুলিশের পেলেট গানের আঘাতে এক চোখ হারানো এবং সারা শরীরে গুরুতর জখম নিয়ে চিকিৎসাধীন সাহিল নামের এক ব্যক্তির ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তিনি দিল্লি পুলিশের এই নিষ্ঠুরতার জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারকে দায়ী করেছেন রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন, শুধু সাহিল নয়, হাজার হাজার শিশু একইভাবে দিল্লি পুলিশের পেলেট গানের শিকার হয়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি রাহুল গান্ধীর এই বিবৃতি ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, সাহিল নিজের হকের জন্য এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন কিন্তু দিল্লি পুলিশের সদস্যরা তাকে পেলেট গান দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করেন, যার ফলে তার সারা শরীরে অসংখ্য ক্ষতের চিহ্ন দেখা গেছে এবং এক চোখ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন পেলেট গান মূলত দাঙ্গা দমনে ব্যবহৃত এক ধরনের নন-লেথাল অস্ত্র, যা রাবারের ছোট ছোট গুলি বা ধাতব কণা নির্গত করে তবে এর ব্যবহার প্রায়শই মারাত্মক আঘাতের কারণ হয়, বিশেষ করে সংবেদনশীল অঙ্গ যেমন চোখ বা মাথা লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তার ভিডিও বার্তায় এই ঘটনার বীভৎসতা তুলে ধরে প্রশ্ন তোলেন, কেন দিল্লিতে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিশুরা, তাদের মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচারের দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের এমন নির্মমতার শিকার হবে? রাহুল গান্ধী তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে বলেন, এই অপরাধের জন্য মোদি সরকারকেই ক্ষমা চাইতে হবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই ঘটনার পেছনে থাকা সমস্ত অপরাধীকে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক একইসাথে, দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করার আহ্বান জানান রাহুল গান্ধী তার এই দাবি ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে বিরোধীরা পুলিশের এই ধরনের বলপ্রয়োগকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন, যা দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, রাহুল গান্ধীর এই বিস্ফোরক অভিযোগ মোদি সরকারের উপর চাপ আরও বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে দিল্লি পুলিশের কার্যকারিতা ও তাদের বলপ্রয়োগের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে এই ঘটনা শুধুমাত্র একজন সাহিলের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং এটি ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ-বিক্ষোভের অধিকার এবং নাগরিক সুরক্ষার বৃহত্তর প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে এসেছে ক্ষমতাসীন সরকারের দিক থেকে এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তার উপর নজর রাখছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]
ভালুকা ছাত্রদলের পরিচিত সভায় বক্তব্য রাখলেন রাসেল
চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুরহাট, শিলন্দিয়া ও মৈশাদি ইউনিয়নে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরির ঘটনা।
একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।
নিরাপত্তার অভাবে অনেক এলাকায় বাসিন্দারা রাত জেগে দলবদ্ধভাবে পাহারা দিচ্ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং চোরচক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।
এদিকে, চুরির ভয়ে রাতের ঘুম হারাম হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
বিবরণী: ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে টহলরত দিল্লি পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিক্ষোভকারীদের একাংশ উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়েছে 'দিল্লি পুলিশ হায় হায়' ধ্বনি এবং পুলিশের লাঠিচার্জের মিথ্যা অভিযোগ তুলে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়, যা প্রকৃত অর্থে ঘটেনি এই ঘটনাটি সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এবং সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছে ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ সদস্যরা যখন তাদের নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী টহল দিচ্ছিলেন, তখন কিছু বিক্ষোভকারী তাদের দিকে আঙ্গুল তুলে চিৎকার শুরু করে তাদের মূল অভিযোগ ছিল যে পুলিশ নাকি তাদের উপর লাঠিচার্জ করছে, যদিও ভিডিওর প্রেক্ষাপট থেকে তা স্পষ্ট নয় এই ধরণের অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরির অপচেষ্টা বলে মনে করছেন অনেকে এটি একটি সুসংগঠিত ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হলো শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে একটি হিংসাত্মক রূপ দেওয়া এবং পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এই ঘটনার প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিভিন্ন সময়েই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বা অন্য কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এমন আচরণ করে থাকে যন্তর মন্তরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক এটি শুধু পুলিশ বাহিনীর জন্যই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপরও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এই ধরণের উস্কানিমূলক ঘটনার পেছনের কারণ খুঁজে বের করা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে [সৌজন্যে: @tejashyy (𝕏 (Twitter))]
বিবরণী: ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে তরুণ প্রজন্মের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর 'দেশ কা যুব জাগ রা হ্যাঁ... ভাগ রা হ্যাঁ!'—এই শ্লোগান এখন তরুণদের মুখ থেকে মুখে ফিরছে, যা প্রচলিত রাজনৈতিক সমীকরণকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে NEET কেলেঙ্কারি, ভয়াবহ বেকারত্ব এবং শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা—এইসব জ্বলন্ত সমস্যা নিয়ে তরুণ সমাজ আজ আর চুপ থাকতে নারাজ দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও অবহেলা তাদের মধ্যে যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে, তা এখন রাজপথে বিদ্রোহের রূপ নিয়েছে শিক্ষাগত অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুন ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে বিশেষ করে, NEET (National Eligibility cum Entrance Test) পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তরুণ প্রজন্মকে চরমভাবে হতাশ করেছে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত, কারণ একটি মেধাভিত্তিক পরীক্ষা যদি দুর্নীতির শিকার হয়, তবে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি তাদের আস্থা কোথায় থাকবে? এই প্রশ্ন আজ বড় হয়ে দেখা দিয়েছে বেকারত্বের অভিশাপও তরুণদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না পাওয়া—এই পরিস্থিতি তাদের জীবনকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে একদিকে উচ্চশিক্ষা, অন্যদিকে চাকরির অভাব—এই দ্বিমুখী চাপে তরুণ সমাজ আজ দিশেহারা এই প্রতিবাদ শুধু মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের তরুণ প্রজন্ম এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচেতন এবং তারা তাদের অধিকার আদায়ে বদ্ধপরিকর শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে সরকারের উদাসীনতা তাদের মধ্যে এক গভীর অসন্তোষ তৈরি করেছে এই ক্ষোভ ও হতাশা এখন এক সম্মিলিত প্রতিরোধে পরিণত হয়েছে, যা সরাসরি ক্ষমতাসীন সরকারের নীতি ও কার্যকারিতার ওপর প্রশ্ন তুলছে এই আন্দোলন আগামী দিনে ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন সরকার যদি এই তরুণ প্রজন্মের দাবিগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠবে [সৌজন্যে: @surabhimaradiya (𝕏 (Twitter))]
বিবরণী: দৃষ্টিভঙ্গির শক্তি এবং দৃঢ় নেতৃত্বের অনিবার্যতা নিয়ে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন প্রথিতযশা চিন্তাবিদ ও উদ্যোক্তা সচিন গুপ্তা সম্প্রতি তার এক বক্তব্যে উচ্চারিত হয়েছে অভিজিৎ দীপকের সেই কালজয়ী উক্তি – "ঝুঁকতি হ্যায় দুনিয়া, ঝুকানে ওয়ালা চাহিয়ে", যা বাংলা করলে দাঁড়ায়, "পৃথিবী ঝুঁকে, দরকার শুধু একজন যে তাকে ঝোঁকাতে পারে" এই গভীর অর্থবহ বার্তাটি দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে সচিন গুপ্তা তার নিজস্ব কর্মপন্থা ও সাফল্যের মাধ্যমে যেন এই দর্শনেরই প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন, যেখানে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, প্রবল ইচ্ছা শক্তি ও সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিকে নিজেদের অনুকূলে আনা সম্ভব তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নেতৃত্ব ও প্রতিরোধের ধারণাকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে সচিন গুপ্তা তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে মূলত মানবজাতির অদম্য সম্ভাবনা এবং একজন দৃঢ়চেতা নেতার অপরিহার্য ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন "পৃথিবী ঝুঁকে, দরকার শুধু একজন যে তাকে ঝোঁকাতে পারে" – এই বাক্যটি প্রচলিত চিন্তাভাবনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং সাহস যোগায় নতুন কিছু করার এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, বাধা-বিপত্তি বা বিদ্যমান কাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলো শেষ কথা নয়, বরং একজন দূরদর্শী ও সংকল্পবদ্ধ নেতা বা ব্যক্তি তার প্রজ্ঞা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে সেগুলোকে পরিবর্তন করতে সক্ষম এই দর্শন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্যের চাবিকাঠি নয়, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অপরিসীম সচিন গুপ্তার নিজের জীবন এবং তার বিভিন্ন উদ্যোগের দিকে তাকালে এই দর্শনের সার্থক প্রয়োগ দেখা যায় তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে নতুন উদ্ভাবন, অটল বিশ্বাস এবং লক্ষ্য অর্জনে অবিচল নিষ্ঠা মানুষকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে সাহায্য করে, এমনকি যখন চারপাশের সবাই সেটিকে অসম্ভব মনে করে এই শক্তিশালী বার্তা তরুণ প্রজন্ম, নবীন উদ্যোক্তা এবং নীতি-নির্ধারকদের জন্য এক নতুন প্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল একটি দেশে, যেখানে প্রতিনিয়ত নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে এমন একটি দর্শন আশার আলো জাগায় এটি শেখায় যে, নেতৃত্ব মানে শুধু আদেশ দেওয়া নয়, বরং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধান খুঁজে বের করা সচিন গুপ্তার এই উক্তি বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যখন অর্থনীতি থেকে শুরু করে সমাজনীতি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য এই দর্শন ব্যক্তি থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে এক অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে তার এই বার্তা সম্ভবত আগামী দিনে দেশের প্রগতিশীল চিন্তাধারায় নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং অনেককে অনুপ্রাণিত করবে নিজেদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে শামিল হতে [সৌজন্যে: @sachingupta (𝕏 (Twitter))]
আলীকদমের মারাইংতং পাহাড়ের চূড়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতি
রংপুর বিভাগের আট জেলার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের রুদ্ধদ্বার বৈঠক, নতুন কর্মসূচির রূপরেখা বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান গতকাল শনিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যান কার্যালয়ে রংপুর বিভাগের নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, রংপুর জেলা ও মহানগর শাখার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এক বিশাল সাংগঠনিক আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন দুপুর ২টার দিকে শুরু হওয়া এই বৈঠকটি দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে এবং এতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনসহ দলীয় কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তিনি রংপুর বিভাগের আট জেলার সাংগঠনিক চিত্র পর্যালোচনা করেন এবং আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামের রূপরেখা প্রণয়নে নেতাদের মূল্যবান মতামত গ্রহণ করেন বিশেষ করে, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিটি জেলার সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, নবীন প্রজন্মের নেতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের প্রভাব বিস্তারের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন এছাড়া, সরকারের দমন-পীড়ন ও মামলা-হামলার মধ্যেও কিভাবে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা যায় এবং কার্যকরভাবে জনগণের পাশে দাঁড়ানো যায়, সে বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি এই সাংগঠনিক সভাটি বিএনপি'র জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তারেক রহমান দলের তৃণমূল নেতাদের মনোবল বাড়াতে এবং তাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি প্রত্যেক জেলার নেতাদের কাছ থেকে সরাসরি মাঠ পর্যায়ের চিত্র জেনেছেন এবং সেই অনুযায়ী ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সভায় উপস্থিত নেতারাও তারেক রহমানের নির্দেশনায় নতুন উদ্যোমে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এই আলোচনা সভাটি আগামী দিনে রংপুর বিভাগে বিএনপি'র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]
একটি গাছ একটি প্রাণ, আসেন গাছ লাগাই পরিবেশ বাঁচাই, গাছ মানুষের পরম বন্গাধু ছে আমাদের অক্সিজেন দেয়।
মঠবাড়িয়ায় ই'য়া'বা সহ যুবক গ্রে'ফতার
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন
ভিডিও রিপোর্ট: শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগামীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য একটি বিশেষ স্মরণসভার আয়োজন করা হবে শনিবার (২৫ জুলাই, ২০২৬) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং এই আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল অনস্বীকার্য দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই অবদান অগোচরে ছিল, যা এবার আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ ও সম্মান জানানো হবে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তার বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট এবং এর সামগ্রিক গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি বলেন, জাতি গঠনে এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিভিন্ন সময়ে তরুণ সমাজের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল এমনই এক ক্রান্তিকাল, যখন দেশের আপামর জনতার সঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছিল তাদের সাহসী ভূমিকা সে সময় আন্দোলনের গতিকে তীব্রতর করেছিল সরকারের পক্ষ থেকে এই ত্যাগ ও অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, স্মরণসভা আয়োজনের বিস্তারিত রূপরেখা খুব শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে এই সভায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, ইতিহাসবিদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে ইশরাক হোসেন বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা কেবল শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামা নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক সমর্থন, আন্দোলনকারীদের আশ্রয় প্রদান এবং আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণেও তাদের অবদান ছিল অপরিসীম এই বিষয়গুলো নতুন করে গবেষণার মাধ্যমে তুলে আনা হবে এবং স্মরণসভার মাধ্যমে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে" তিনি আরও বলেন, এই স্বীকৃতি জাতীয় ইতিহাসে বেসরকারি খাতের শিক্ষাব্যবস্থার ইতিবাচক ভূমিকা এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে সুপ্রতিষ্ঠিত করবে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ দেশের ইতিহাসচর্চায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে দীর্ঘদিনের অবহেলিত একটি অধ্যায়ের ওপর আলোকপাত করার মাধ্যমে ঐতিহাসিক তথ্যগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে একই সাথে, এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ধারণা আরও সুদৃঢ় করবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এই স্বীকৃতিকে নিজেদের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দেখছে এবং আশা করছে, এই ধরনের উদ্যোগ তাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে তুলবে সামগ্রিকভাবে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান স্মরণের এই উদ্যোগ জাতীয় ঐক্য ও ইতিহাসের সঠিক মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]
ফুলবাড়ীতে কাশিপুর ইউনিয়নের ঘুঘুরহাট বাজারে স্বপ্নসিঁড়ি প্রি-ক্যাডেট স্কুল কতৃক আয়োজিত বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন এর মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে
ভান্ডারিয়া - বরিশাল সড়কের পাশে অবৈধভাবে নির্মিত পাকা দেয়াল গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন