短裤 创造

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ ও গণভোট উপলক্ষ্যে র‌্যাব-১৩ এর বিশেষ নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১২ টার দিকে জেলা শহরের ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই বিশেষ নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, গাইবান্ধা র‌্যাব -১৩ এর কোম্পানী কমান্ডার তরিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধকতাহীনতা এবং কোনো দুষ্কৃতকারী যাতে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে এজন্য র‌্যাব বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার ৫ টি আসনের ৬৭৫ টি ভোটকেন্দ্রে ১৪ টি টহল দল, ২ টি ষ্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স, ১ টি বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং সাদা পোশাকে র‌্যাব সদস্যরা নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।

এছাড়াও র‌্যাবের মিডিয়া সেল সার্বক্ষনিক মিডিয়া মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্মে যে কোনো ধরনের গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে র‌্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম কাজ করবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।

আই নিউজ বিডি

0

0

9

⁣‎উপকূলীয় জেলায় কোস্টগার্ডের নির্বাচনি নিরাপত্তা টহল জোরদার


‎বিশেষ প্রতিনিধিঃ





‎জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে মোংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কোস্টগার্ড। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মোংলা ও সুন্দরবনের নদী তীরবর্তী এলাকায় তারা টহল দেয়।





‎এসব এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় দায়িত্ব পালনসহ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহলের মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানায় সংস্থাটির সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।





‎তিনি জানান, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষায় নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।





‎তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে গত ১৮ জানুয়ারি হতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী দায়িত্বাধীন উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রসমূহে দায়িত্ব পালন করবে কোস্টগার্ড।





‎এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা-১ ও খুলনা-৬ আসনের দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৫৬টি ভোটকেন্দ্রে কোস্ট গার্ড সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা হবে।





‎নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যে কোনো ধরনের সহিংসতা দমনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের জানমালসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।


রবি ডাকুয়া

0

0

2

⁣১৬ ঘণ্টা পড়া, ৪ ঘণ্টা ঘুম... পুরোটাই মিথ্যা

Mamun Sorder

0

0

3

আওয়ামিলীগ হারিয়ে যায়নি, জানান দিতে এবার সংসদ ভবন এলাকায় বিশাল মিছিল।

HasanHadi

0

0

3

⁣শ্যামনগরে শতবর্ষী গিরিধরের চড়ক পূজা

শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের কোলঘেঁসা মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় শতবর্ষ কাল পূর্বে চড়ক পূজা কেন্দ্র করে ছোট্ট একটি পরিচয়ের একটি মেলা হতো, শেষ পর্যন্ত গিরিধারী চড়ক মেলা নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বিভিন্ন সময়ের পালা বদলে বাংলা নববর্ষ ও দক্ষিণবাংলায় গিরিধারী চড়ক মেলায় এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা বয়ে চলেছে দীর্ঘকাল। চৈত্র সংক্রান্তের শেষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গিরিধারী চড়ক মেলা। দক্ষিণবাংলায় শ্যামনগরে গিরিধারী সড়ক মেলা ইতিহাস খ্যাত। এছাড়া শ্যামনগরে উপজেলায় আটটি স্থানে চড়ক মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০২৫ সালে অর্থাৎ ১৪৩২ বঙ্গাব্দে চৈত্রমাসে চড়কপূজার শতবর্ষ পূর্ণ হলো। সেই উপলক্ষ্যে অতীতের সোনালি দিনগুলোকে তুলে ধরার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। সাথে গিরিধারে চড়ক মেলা পূজা উদযাপন কমিটির জন্মের লেখক শিক্ষক দেবপ্রসাদ মন্ডল ও নব কুমার মন্ডল তাদের তথ্য অনুসন্ধানে কাজটি আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে ।
বাংলাদেশের বাঙালিদের অতি প্রাচীনতম লোক উৎসব চড়ক পূজা শিবের গাজন। ক্রমে ক্রমে ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা এই গাজনকে শিব উৎসবে পরিণত করেছেন। শিবক্রমে প্রধান গ্রাম দেবতা গাজন সহজে শিবের গাজন নামে পরিণত লাভ করে। পন্ডিতেরা মনে করেন যে গাজন ও গাজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চড়ক উৎসব আদিম সমাজ থেকে এসেছে।

Ranajit Barman

0

1

919