السراويل القصيرة خلق
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ ও গণভোট উপলক্ষ্যে র্যাব-১৩ এর বিশেষ নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১২ টার দিকে জেলা শহরের ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই বিশেষ নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, গাইবান্ধা র্যাব -১৩ এর কোম্পানী কমান্ডার তরিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধকতাহীনতা এবং কোনো দুষ্কৃতকারী যাতে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে এজন্য র্যাব বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার ৫ টি আসনের ৬৭৫ টি ভোটকেন্দ্রে ১৪ টি টহল দল, ২ টি ষ্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স, ১ টি বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং সাদা পোশাকে র্যাব সদস্যরা নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।
এছাড়াও র্যাবের মিডিয়া সেল সার্বক্ষনিক মিডিয়া মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্মে যে কোনো ধরনের গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে র্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম কাজ করবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অডিটরিয়ামে ইবনে সিনা কোম্পানির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের সভাপতি তো করেন ডাক্তার সোহেল রানা, আর বক্তব্য রাখেন ডাক্তার জাহিদ হোসাইন, কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার রফিকুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন আব্দুল হান্নান।
বর্তমান সময়ে কবিতা এক নিরব ভাষা হয়ে উঠেছে যেখানে অনুভূতি ছড়ায় নিঃশব্দে। ঠিক এমনই একটি কবিতা, যার নাম “আমাকে হারালে তুমি,” সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় তরুণ পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
কবিতাটি মূলত এক জোড়া চোখের বেদনার কথা বলে, যা হারালে মানুষ হারায় জীবনের আলোও। “আমাকে হারালে তুমি খুব বেশি কিছুই হারাবে না, হারাবে এক জোড়া চোখ যা সারাজীবন তোমার জন্য কাঁদবে”—এই ভাবনাটি পাঠকদের মধ্যে গভীর সাড়া সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কবিতার সরল ভাষা আর গভীর মর্মস্পর্শী অর্থ আজকের তরুণ প্রজন্মের মনকে ছুঁয়ে যাচ্ছে। কবিতার সহজ অথচ হৃদয়স্পর্শী গঠন মানুষের ভেতরের একান্ত অনুভূতিকে প্রকাশ করে, যা আত্মার অবচেতন স্তরে পৌঁছে যায়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “আমাকে হারালে তুমি” কবিতাটি হাজার হাজার শেয়ার ও মন্তব্যের মধ্য দিয়ে রাতারাতি ভাইরাল হয়েছে। বিশেষ করে ভালোবাসার ব্যর্থতা, বিচ্ছেদ ও নস্টালজিয়ার স্মৃতিচারণায় যারা বিচলিত, তাদের কাছে এটি এক অমুল্য সান্ত্বনা।
কবিতার লেখক জানান, এই কবিতার মূল অনুপ্রেরণা এসেছে ব্যক্তিগত কিছু হারানোর অনুভূতি থেকে, যা বহু মানুষের জীবনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই পাঠকরা নিজেদের অবস্থান ও আবেগকে খুঁজে পাচ্ছেন এর পঙক্তিতে।
আজকের দিনে “আমাকে হারালে তুমি” কবিতাটি প্রমাণ করেছে—সত্যিকার শিল্প শুধু মন ছুঁয়েই থেমে থাকে না, তা মানুষের জীবনে আলো জ্বালিয়ে দেয়, নতুন শক্তি এনে দেয়।



