১৭ বছরে গ্যাসের একটি কূপও খনন হয়নি, দাবি জ্বালানিমন্ত্রীর.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

১৭ বছরে গ্যাসের একটি কূপও খনন হয়নি, দাবি জ্বালানিমন্ত্রীর..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
১৭ বছরে গ্যাসের একটি কূপও খনন হয়নি, দাবি জ্বালানিমন্ত্রীর..
১৭ বছরে গ্যাসের একটি কূপও খনন হয়নি, দাবি জ্বালানিমন্ত্রীর..
ছবি: সংগৃহীত
****

দেশে মাটির নিচে গ্যাসের মজুত থাকলেও গত ১৭ বছরে একটি কূপও খনন করা হয়নি বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে আয়োজিত ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট ২০২৬’-এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যে ব্যবস্থা অনুসরণ করা হয়েছে, তার প্রভাব ও দায় দেশের মানুষকে আগামী ৫০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত বহন করতে হতে পারে।

এলএনজি আমদানিতে বাড়ছে ব্যয়

কাতার থেকে চুক্তি অনুযায়ী তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরকারের ব্যয় বাড়ছে বলে জানান জ্বালানিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্পট মার্কেট থেকে প্রতি ইউনিট গ্যাস ৩০ ডলার পর্যন্ত বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যয়ের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা ৩০ শতাংশ

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সামগ্রিক জ্বালানি মিশ্রণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ৩০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর অব্যাহতির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে প্রণোদনা

সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছাদের মালিকদের জন্য সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে ভাড়ার সুবিধা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এ ছাড়া সৌরবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সাধারণ মানুষ যাতে সাশ্রয়ী মূল্যে কিনতে পারেন, সে ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন আসে, তা এখন দেখার বিষয়।

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator