শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলোর কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার আগাম প্রস্তুতি
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ইতিমধ্যে আগাম প্রস্তুতি, সুষ্ঠু সংরক্ষণ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়েছে। রোজার বাড়তি চাহিদা বিবেচনায় রেখে খাদ্য সংগ্রহ, আমদানি ও বিতরণ কার্যক্রমে সমন্বয় আরও বাড়ানো হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের অঞ্চলভিত্তিক চাহিদা, গুদামভিত্তিক মজুত এবং সরবরাহ সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। খাদ্য সংগ্রহ থেকে বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সঠিক সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে সময়ক্ষেপণ, পরিবহন খরচ এবং অপচয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।
আমদানি ও অবকাঠামো তদারকি
আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে সৃষ্ট মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মোকাবিলায় খাদ্যপণ্যের সম্ভাব্য চাহিদা নিরূপণ ও আমদানির গতি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে বাজারে কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
এর আগে খাদ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলোর মূল অবকাঠামো, চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি এবং খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার সার্বিক অবস্থা সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরবর্তীতে তিনি দেওয়ানহাট সিএসডির গুদাম পরিদর্শন করেন এবং হালিশহর সিএসডির নতুন সম্মেলনকক্ষ উদ্বোধন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত স্থাপনাগুলো পুনরায় চালুর পাশাপাশি গুদামভিত্তিক মজুতের সঠিক হিসাব, নিয়মিত পরিদর্শন ও কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।