প্রায় এক বছর পর গ্রেপ্তার: কাকন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুর রশিদ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

প্রায় এক বছর পর গ্রেপ্তার: কাকন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুর রশিদ..

Md MR Uzzal avatar   
Md MR Uzzal
প্রায় এক বছর পর গ্রেপ্তার: কাকন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুর রশিদ..
প্রায় এক বছর পর গ্রেপ্তার: কাকন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুর রশিদ..
ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘ আত্মগোপনের পর কাকন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুর রশিদকে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।..

প্রায় এক বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা কাকন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুর রশিদকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পূর্বধলা থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন এবং মোবাইল সিম বদলের মাধ্যমে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলছিলেন।

শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার কে-ব্লকের ২২ নম্বর সড়ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পূর্বধলা উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের দাপুনিয়া সেহড়া ডুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ হাছেন আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে মামলার দ্বিতীয় পক্ষের একজনকে কুমিল্লা থেকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টানা দুই দিনের অভিযানে আব্দুর রশিদকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট রাতে রেলওয়ের পয়েন্টসম্যান কাকন মিয়া নারান্দিয়া ইউনিয়নের দাপুনিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে দাপুনিয়া এলাকার খেলন মিয়ার বাড়ির উত্তর পাশের সড়কে পূর্বশত্রুতার জেরে তার ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুর রশিদ এবং তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাকন মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

নিহত কাকন মিয়ার বোনজামাই মাসুদ আল মামুন বাদী হয়ে আব্দুর রশিদসহ ১০ জনকে আসামি করে এবং আরও চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পূর্বধলা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই আব্দুর রশিদ আত্মগোপনে চলে যান। সিলেট, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান পরিবর্তন করেন এবং নিয়মিত মোবাইল ফোন ও সিম বদল করতেন। প্রায় এক বছর অনুসন্ধানের পর অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় এবং পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল আমিনের তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পিপিএমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সেকেন্ড অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম, এএসআই আনোয়ার হোসেন, কনস্টেবল নাহিদ হাসান খান এবং এলআইসি নেত্রকোণার এএসআই (নিরস্ত্র) মো. আবুল হোসেন অংশ নেন।

পূর্বধলা থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলার অন্যান্য আসামিরা আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। আব্দুর রশিদকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ রবিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রায় এক বছর পর এই মামলার অন্যতম আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। এটি সমাজের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সফলতার দৃষ্টান্ত হিসেবে দাড়িয়েছে এবং অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

Nessun commento trovato


News Card Generator