মানবতাবিরোধী মামলা: গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তাদের কারাগার নির্ধারণ করবে সরকার, জানাল ট্রাইব্যুনাল.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

মানবতাবিরোধী মামলা: গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তাদের কারাগার নির্ধারণ করবে সরকার, জানাল ট্রাইব্যুনাল..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
মানবতাবিরোধী মামলা: গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তাদের কারাগার নির্ধারণ করবে সরকার, জানাল ট্রাইব্যুনাল..
মানবতাবিরোধী মামলা: গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তাদের কারাগার নির্ধারণ করবে সরকার, জানাল ট্রাইব্যুনাল..
ছবি: সংগৃহীত
The Tribunal ordered the army officials arrested in three crimes against humanity cases to be sent to prison. Chief Prosecutor Tajul Islam stated that the decision on which jail to house the accused r..

মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩ মামলায় গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, আসামিদের কোন জেলে রাখা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে কারা কর্তৃপক্ষ ও সরকার।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা তিনটি মামলায় সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, আদালতের কাজ হচ্ছে আসামিদের কাস্টডিতে পাঠিয়ে দেওয়া। কাস্টডিতে প্রেরণ মানেই হচ্ছে তারা কারা কর্তৃপক্ষের অধীনে চলে যাবেন। আসামিদের কোন জেলে বা সাব জেলে রাখা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সম্পূর্ণভাবে কারা কর্তৃপক্ষ বা সরকারের।

তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "কারা কর্তৃপক্ষ তাদের কোথায় রাখবেন অর্থাৎ কোন জেলে রাখবেন, কোন সাব জেলে রাখবেন, ঢাকায় রাখবেন না চট্টগ্রামে পাঠাবেন, না অন্য কোথাও রাখবেন—এটা যথাযথ কারা কর্তৃপক্ষের অর্থাৎ সরকারের সিদ্ধান্ত।" তিনি জানান, কাস্টডি মেইনটেইন করে রাষ্ট্র বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা সুনির্দিষ্টভাবে কারা অধিদপ্তর। সুতরাং কোন কারাগারে রাখা হবে, সেই নির্ধারণ তারাই করবে।

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল শুধুমাত্র আসামিদের রাষ্ট্রীয় কাস্টডিতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, আসামিদের আদালতে হাজির করার পদ্ধতিও কারা কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। এই ব্যাপারে প্রসিকিউশনের বা আদালতের কিছু বলার নেই। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হলেও সেনা কর্মকর্তাদের সাধারণ আসামির মতোই আইনগত প্রক্রিয়ায় কারা কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ করা হয়েছে।

没有找到评论


News Card Generator