কুতুবদিয়ায় ইত্তেফাকুল হুফফাজের উপজেলা শাখার অভিষেক সম্মেলন
শর্টস তৈরি করুন
কুতুবদিয়ায় ইত্তেফাকুল হুফফাজের উপজেলা শাখার অভিষেক সম্মেলন
কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ইত্তেফাকুল হুফফাজ চট্টগ্রাম বাংলাদেশ-এর উপজেলা শাখার অভিষেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে কুতুবদিয়ার হাফেজ জালাল উদ্দিন আদর্শ হেফজখানা মাদ্রাসা মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা ক্বারী আবুল রশিদ প্রধান অতিথি এবং কেন্দ্রীয় মহাসচিব এইচ.এম. জামালউদ্দিন তাওহীদ প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হাফেজ আলিমুল হক চৌধুরী আল আজহারী,কক্সবাজার উত্তরের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা ছানাউল্লাহ সিকদারসহ অন্যান্যরা।
সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের হাফেজ, আলেম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কুরআন-হাদিসের শিক্ষা প্রচার, হাফেজদের কল্যাণ এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে কুতুবদিয়ায় আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় ইত্তেফাকুল হুফফাজ চট্টগ্রাম বাংলাদেশ-এর কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা ও দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। কিমিটিতে হাফেজ মাওলানা মোরশেদ আলম কুতুবী সভাপতি এবং হাফেজ মাওলানা ইউনুস কুতুবীকে সেক্রেটারির করে ২১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সমুদ্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বঙ্গোপসাগরে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে অবৈধভাবে মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি ইঞ্জিনচালিত বোটসহ ২৩ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। টহলকালে কুতুবদিয়া বহিঃনোঙর এলাকা থেকে প্রায় ৪৬ নটিক্যাল মাইল দূরে দুটি সন্দেহজনক কাঠের বোট শনাক্ত করে নৌবাহিনীর জাহাজ শহীদ মহিবুল্লাহ। বোটদ্বয়কে থামার সংকেত দেওয়া হলে তারা পালানোর চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে নৌবাহিনী জাহাজ ধাওয়া করে ‘এফবি আজিজুল হক’ ও ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামের দুটি বোট আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে বোট দু’টি থেকে ১ হাজার ৭৫০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট ও ৩২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের ২৩ জন সদস্যকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা অধিক মুনাফার আশায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল বলে স্বীকার করেছে। উদ্ধারকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।



