নেত্রকোণার অপহৃত কিশোরী উদ্ধার: আসামি ফয়সাল মিয়া গ্রেফতার।.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

নেত্রকোণার অপহৃত কিশোরী উদ্ধার: আসামি ফয়সাল মিয়া গ্রেফতার।..

Md MR Uzzal avatar   
Md MR Uzzal
নেত্রকোণার অপহৃত কিশোরী উদ্ধার: আসামি ফয়সাল মিয়া গ্রেফতার।..
নেত্রকোণার অপহৃত কিশোরী উদ্ধার: আসামি ফয়সাল মিয়া গ্রেফতার।..
ছবি: সংগৃহীত
নেত্রকোণার পূর্বধলা থেকে অপহৃত কিশোরীকে রাজশাহীর পুঠিয়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ফয়সাল মিয়া গ্রেফতার।..

নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার হোগলা ইউনিয়নের গোপীনাথখিলা গ্রাম থেকে অপহৃত এক ১৩ বছর বয়সী কিশোরীকে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা থেকে উদ্ধার করেছে পূর্বধলা থানা পুলিশ। এই ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ফয়সাল মিয়া (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নূরুল আলম সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন সকাল ১১টার দিকে ওই কিশোরী নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। তার পরিবার অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পেয়ে নেত্রকোণা বিজ্ঞ আদালতে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভালুকগাছি (খামারপাড়া) গ্রামের মোখশেদ আলীর ছেলে ফয়সাল মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়সাল মিয়ার সঙ্গে ভিকটিম পরিবারের দূর সম্পর্কের আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্র ধরে ফয়সালের পরিবারের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকায় তার বাড়িতে যাতায়াত ছিল। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ফয়সাল নানা প্রলোভন ও ফুসলানোর মাধ্যমে কিশোরীকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়।

আদালতের নির্দেশে, গত ৩ জুলাই পূর্বধলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ৭/৯(১)/৩০ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। এরপর পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে গত রবিবার (৩ আগস্ট) রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার একটি এলাকা থেকে কিশোরীকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত ফয়সাল মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নূরুল আলম বলেন, 'অপহরণ মামলার তদন্তে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর আসামি ফয়সাল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।'

উদ্ধারকৃত কিশোরীকে বর্তমানে পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে এবং তার মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনা থেকে সমাজে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি আবারও গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে। অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সমাজে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস করতে হলে পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সমাজে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেকেই নিজেদের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সতর্ক ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও জনগণের সহায়তা আরও ব্যাপক হারে প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

コメントがありません


News Card Generator