বিচার ছাড়া নির্বাচন মানেই জাতীয় বিপর্যয়: সরব জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

বিচার ছাড়া নির্বাচন মানেই জাতীয় বিপর্যয়: সরব জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
বিচার ছাড়া নির্বাচন মানেই জাতীয় বিপর্যয়: সরব জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি..
বিচার ছাড়া নির্বাচন মানেই জাতীয় বিপর্যয়: সরব জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি..
ছবি: সংগৃহীত
Dr. Shafiqur Rahman, chief of Bangladesh Jamaat-e-Islami, warned that holding elections before ensuring justice for crimes during the July uprising would lead the nation to disaster. Justice and refor..

Dr. Shafiqur Rahman, chief of Bangladesh Jamaat-e-Islami, warned that holding elections before ensuring justice for crimes during the July uprising would lead the nation to disaster. Justice and reform must precede elections, he stated.

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান কঠোর ভাষায় বলেছেন, বিচার ও জাতীয় সংস্কার ছাড়া যদি নির্বাচন আয়োজন করা হয়, তাহলে তা জাতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত "জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়ন" শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

জুলাই আন্দোলনের পটভূমিতে আওয়ামী লীগ যে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, সেই অপরাধের বিচার ছাড়া কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়া গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন—এই তিনটি প্রক্রিয়া একসঙ্গে অগ্রসর হতে হবে। এর মধ্যে বিচারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “যদি বিচার ও সংস্কারকে পাশ কাটিয়ে কেবলমাত্র নির্বাচন আয়োজন করা হয়, তাহলে সেটা জাতির জন্য ‘ডিজাস্টার’ হবে। শহীদ পরিবারগুলো বিচার না দেখে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ মেনে নেবে না। আমাদের কণ্ঠ হচ্ছে শহীদদের পরিবারের কণ্ঠ।

জামায়াত আমির পরিষ্কারভাবে বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগের বিচার চাই, তবে এমন বিচার চাই না যাতে প্রতিশোধ বা পক্ষপাতের রূপ নেয়। যারা অপরাধ করেছে, তাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক। আইন ও মানবাধিকারের সীমারেখার মধ্যেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হোক।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “আমরা শুধু প্রতিশোধ চাই না—আমরা চাই সুশাসনের ভিত্তি মজবুত হোক। যেন আগামী প্রজন্মের বাংলাদেশ হয় একটি সুবিচারভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

আলোচনায় তিনি প্রস্তাব দেন, “জুলাই আন্দোলনে যেসব নাগরিক আহত হয়েছেন, তাদের পুনর্বাসন ও চিকিৎসার জন্য সরকার যদি একটি পরিকল্পনা নেয়, তাহলে জামায়াতে ইসলামি তা বাস্তবায়নে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

এই দেশ আমাদের সকলের। রাষ্ট্রযন্ত্র জনগণের হয়ে কাজ করবে—এই বিশ্বাস নিয়ে আমরা মাঠে আছি। কোনো অবিচারকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সমাজচিন্তক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

তারা সকলেই জামায়াত আমিরের বক্তব্যে একমত পোষণ করে বলেন, বাংলাদেশে যে ভয়াবহ দমন-পীড়ন চলছে, তা বন্ধ করতে হলে বিচারই একমাত্র পথ। ন্যায়ের পথে না গেলে দেশ অন্ধকারে তলিয়ে যাবে।

ডা. শফিকুর রহমান শেষ বক্তব্যে বলেন, “গণতন্ত্রের জন্য আজ সত্য ও সাহসের সঙ্গে দাঁড়ানোর সময়। আমরা কোনো পাতানো নির্বাচন চাই না। আমরা চাই এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে রাজনীতি হবে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যম, কোনো গোষ্ঠীর দখলের যন্ত্র নয়।”

कोई टिप्पणी नहीं मिली


News Card Generator