কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং এলাকায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর আলমগীর নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুতুবদিয়া উপজেলার দক্ষিণ ধূরুং এলাকার বাসিন্দা মরহুম ফিরোজ আহমদের ছেলে আলমগীর কয়েক বছর ধরে টেকনাফের সাবরাং এলাকার একটি মাছ চাষ প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তার পিতা মারা গেলে তিনি বাড়িতে এসে দাফন ও পরবর্তী পারিবারিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। পরে তিনি কর্মস্থলে ফিরে যান।
স্বজনদের দাবি, কর্মস্থলে ফেরার পর এক রাতে আলমগীর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর টেকনাফ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এরপর নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে মাছ চাষ প্রকল্প সংলগ্ন একটি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের ভাষ্যমতে, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে টেকনাফ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, দক্ষিণ ধূরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এক শোকবার্তায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “আলমগীরের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।