close

লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!

তারেক রহমানের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন শহিদুল আলম, জাইমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
শিল্পীরা, এবং সর্বোপরি নারীরা স্বৈরাচারকে হটিয়েছে। এখন তাদের সরিয়ে দেওয়া যাবে না।..

লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে হওয়া একটি গোপন বৈঠকের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও অধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম। মঙ্গলবার ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই বৈঠকের পেছনের গল্প, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তারেক-কন্যা জাইমা রহমানের শিল্পমনা দৃষ্টিভঙ্গির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

শহিদুল আলম জানান, ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে তার সেই গোপন বৈঠকটি হয়েছিল। আল জাজিরায় একটি সাক্ষাৎকারের জন্য তিনি তখন লন্ডনে অবস্থান করছিলেন।

গোপন বৈঠকের সেই রাত ফেসবুক পোস্টে শহিদুল আলম লেখেন, ‘‘আমরা গোপনে দেখা করেছিলাম। কারণগুলো ছিল স্পষ্ট। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান নির্মম নির্যাতন সহ্য করে নির্বাসনে ছিলেন। আমিও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলাম—আল জাজিরায় কথা বলার মূল্য আমাকে দিতে হয়েছিল।’’

তিনি জানান, আল জাজিরার ‘আনস্ক্রিপ্টেড’ অনুষ্ঠানের জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন তিনি। ঢাকায় ফেরার ফ্লাইটের কয়েক ঘণ্টা আগে, শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে দূরে একটি হোটেলে গভীর রাতে তাদের এই বৈঠক হয়।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও শেখ হাসিনার পতন সেই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘রাজনৈতিক দৃশ্যপট তখন ছিল ক্ষমাহীন। শেখ হাসিনা তার তৃতীয় নির্বাচনটি চুরি করে নিয়েছিলেন, বাংলাদেশের ওপর তার দখল ছিল একচ্ছত্র। আমার সাক্ষাৎকারে আমি আবারও সেই শাসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলাম। আমি ঝড়ের মধ্যেই (দেশে) ফিরে আসছিলাম।’’

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সবকিছু বদলে দেয়। শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। তিনি লেখেন, ‘‘তারেক ও জাইমা বাংলাদেশে ফিরে আসেন।’’

ছবি মেলায় জাইমা রহমান ও নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত ছবি মেলায় জাইমা রহমানের উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন শহিদুল আলম। তিনি জানান, তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনে তার দ্বিতীয়বার দেখা হয়েছিল, যেখানে তারা সৃজনশীল অর্থনীতি ও শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

জাইমা রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‘সংস্কৃতি যখন বাধার মুখে, নারীর অধিকার যখন সবচেয়ে বড় আঘাতের শিকার, তখন এই তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমতী তরুণীকে শিল্পের সঙ্গে এতটা গভীরভাবে সম্পৃক্ত হতে দেখে আমি আশান্বিত হয়েছি।’’

শহিদুল আলম জানান, জাইমার ছবি মেলার তিনটি গ্যালারি দেখার কথা থাকলেও তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথোপকথনে এতটাই মগ্ন ছিলেন যে সময়ের খেয়াল ছিল না। তিনি বলেন, ‘‘বেসমেন্টে অপেক্ষমাণ নির্দেশকরা হতাশ হয়েছিলেন। হয়তো তিনি আবারও আসবেন। আমি আশা করি তিনি আসবেন।’’

পোস্টের শেষে তিনি তরুণ প্রজন্মের ওপর আস্থা রেখে বলেন, ‘‘তরুণরাই এই বিপ্লব ঘটিয়েছে। শিল্পীরা, এবং সর্বোপরি নারীরা স্বৈরাচারকে হটিয়েছে। এখন তাদের সরিয়ে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশ যদি প্রকৃত রূপান্তর দেখতে চায়, তবে জাইমার প্রজন্ম—‘জেন জি’কেই (Gen Z) এর নেতৃত্ব দিতে হবে।’’

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator