close

কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!

টাকা দিয়ে নয়, ভালোবাসা দিয়ে মানুষের মন জয় করেছি: শহীদুল আলম তালুকদার..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
‘‘বাউফলে এখন ছেলেদের চেয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। ঘরে ঘরে শিক্ষিত নারী, যারা জজ-ব্যারিস্টারও হচ্ছেন।’’ তবে শিক্ষিত নারীদের বেকারত্ব ঘোচাতে রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।..

রাজনীতিতে টাকার প্রভাব নয়, বরং জনগণের ভালোবাসাই মূল শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন পটুয়াখালীর বাউফল আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহীদুল আলম তালুকদার। তিনি বলেন, ‘‘আমার টাকা নেই, বাউফলে আমার কোনো কমিটিও নেই। কিন্তু গত ৫০ বছর ধরে আমি শুধু ভালোবাসা আর স্নেহ দিয়ে মানুষকে আগলে রেখেছি। টাকা দিয়ে নয়, ভালোবাসা দিয়েই আমি মানুষের মন জয় করেছি।’’

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার রাজনৈতিক দর্শন, প্রতিপক্ষ এবং এলাকার উন্নয়ন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

প্রতিপক্ষ ও রাজনৈতিক অবস্থান নির্বাচনী মাঠে প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন বলে জানান শহীদুল আলম। জামায়াত ও চরমোনাই পীরের দলের জোট ভাঙা বা তাদের প্রার্থিতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এদের আমি কোনো ক্যান্ডিডেট হিসেবেই গণ্য করি না। এরা তো বাচ্চা পোলাপান, রাজনীতিই বোঝে না। শুধু গলা ফাটিয়ে বক্তৃতা দিলেই রাজনীতি হয় না, রাজনীতি নিজের ভেতরে ধারণ করতে হয়।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘বাউফলের সাতবারের এমপি আ স ম ফিরোজের ভাইকেও আমি উপজেলা নির্বাচনে দুইবার হারিয়েছি। জনগণ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছে।’’

তরুণ প্রজন্ম ও তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের ভোটার বা ‘জেন-জি’ (Gen-Z) সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘তারেক রহমান এখন তরুণদের আইডল। গত ১৭ বছর যারা ভোট দিতে পারেনি, তারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। এখানে আমার কোনো কৃতিত্ব নেই, সব কৃতিত্ব জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের।’’

নারী শিক্ষা ও কর্মসংস্থান বাউফলের নারী শিক্ষার অগ্রগতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‘বাউফলে এখন ছেলেদের চেয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। ঘরে ঘরে শিক্ষিত নারী, যারা জজ-ব্যারিস্টারও হচ্ছেন।’’ তবে শিক্ষিত নারীদের বেকারত্ব ঘোচাতে রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরিতে সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিগত ১৭ বছরে বাউফলের রাস্তাঘাটের কোনো উন্নয়ন হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘আমি পাঁচ বছরে যে রাস্তাঘাট করেছিলাম, এখন সেগুলোর বেহাল দশা। গত ১৭ বছরে এক কোদাল মাটিও পড়েনি। রাস্তাগুলো খানাখন্দে ভরা।’’

আগামী দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘‘তারেক রহমান আমাকে পছন্দ করে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি যা চাইব, তিনি তাই দেবেন বলে আমার বিশ্বাস। বিগত ৫০ বছরে যে উন্নয়ন হয়নি, আগামীতে নির্বাচিত হলে আমি সেই উন্নয়ন করে দেখাব ইনশাআল্লাহ।’’

Nenhum comentário encontrado


News Card Generator