এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ ভারী যানবাহন চলাচলের পাশাপাশি ছোট-বড় যাত্রীবাহী যান চলাচল করে। গাছটি হেলে পড়ায় রাস্তার প্রায় ৪–৫ ফুট জায়গা জুড়ে উচ্চতা ৭–৮ ফুট পর্যন্ত নিচে নেমে এসেছে। ফলে বড় যানবাহনকে সম্পূর্ণ ডান পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে হচ্ছে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা কোনো যানবাহনের জন্য নিরাপদে চলাচলের জায়গা থাকছে না। সামান্য ভুল হলেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা শতভাগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে গাছটি সোজাভাবে দাঁড়িয়ে ছিল। তবে মণিরামপুর পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনের ড্রেনেজ কাজের সময় অসাবধানতাবশত গাছটির একটি বড় শিকড় কেটে ফেলা হয়। এতে গাছটি ভারসাম্য হারিয়ে ধীরে ধীরে রাস্তার দিকে হেলে পড়ে বর্তমানে ভয়াবহ ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে গ্যাসের সিলিন্ডারবোঝাই একটি ট্রাক গাছে ধাক্কা লেগে কয়েকটি সিলিন্ডার নিচে পড়ে যায়। সৌভাগ্যবশত তখন আশপাশ ফাঁকা থাকায় বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, “আমরাও প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়ে এই পথ দিয়ে চলাচল করছি। দ্রুত সমাধান দরকার।
মণিরামপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল লতিফ জানান, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা দিয়ে যাতায়াত করে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তার দায়ভার কে নেবে?
মণিরামপুর–রাজগঞ্জ রুটের পরিবহন শ্রমিক নেতারা জানান, বিশেষ করে বড় যানবাহনের চালকরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন। তারা দ্রুত গাছটি অপসারণের জন্য জেলা পরিষদ প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এ বিষয়ে পথচারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এলজিইডি এবং মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত গাছটি অপসারণ বা নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



















