close

ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!

শীতের তীব্রতায় শীতবস্ত্র লেপ তোষকের চাহিদা বেড়েছে

Ranajit Barman avatar   
Ranajit Barman
শীতের তীব্রতায় শীতবস্ত্র লেপ তোষকের চাহিদা বেড়েছে উপকূলের সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায়।..

শীতের তীব্রতায় শীতবস্ত্র লেপ তোষকের চাহিদা বেড়েছে

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ শীতের তীব্রতায় শীতবস্ত্র লেপ তোষকের চাহিদা বেড়েছে উপকূলের সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায়। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীত বস্ত্র কম্বল, চাদর, সোয়েটার, টুপি,হাতমোজা, পায়ের মোজার পাশাপাশি লেপ তোষকের চাহিদা বেড়েছে। বোডিং ঘর গুলির কর্মচারিদের এবার শীতের কারণে ব্যস্ততাও বেড়েছে।

গতবারের তুলনায় এবার শীতের তীব্রতা বেশি থাকায় লেপ তোষকের চাহিদা বেড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। শীতের প্রকোপ আরও বেশি দিন থাকলে বিক্রীও বেশি হবে বলে মনে করছেন তারা। এবার লেপ তোষক তৈরীর উপকরণের দামও বেড়েছে বলে বিক্রেতারা জানান।

উপজেলা সদরের ফরিদপুর বেডিং হাউজের মালিক মিজানুর রহমান বলেন গতবারের তুলনায় এবার শীতের প্রকোপ বেশি থাকায় লেপ তোষকের চাহিদা অনেক বেশি। গতবার লেপ বিক্রী ছিল প্রায় ৮০ থেকে ৯০ টি এবার লেপ বিক্রী এখন পর্যন্ত ১৫০ টি। তোষক বিক্রী হয়েছে ১০০ টির অধিক। বালিশ বিক্রী হয়েছে ৩০০ টি। গতবার ছিল ৮০ থেকে ৯০টি। এর মশারী বিক্রী হয়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টি। এবার শীত মৌসুমে শুরু থেকে এগুলি বিক্রী হয়েছে বলে বিক্রেতা জানান। উপকরণের মূল্য জানতে চাইলে বলেন লেপের তুলা ১নং কাবাস কটন প্রতি কেজি ১২০/-টাকা, মিলির তুলা প্রতি কেজি ১০০/-টাকা, গার্মেন্টস তুলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা। তোষক তৈরীর ১নং ব্লেজার তুলা প্রতি কেজি ৬০/-টাকা, উল প্রতি কেজি ৫০/-টাকা, ফাইবার তুলা প্রতি কেজি ১৮০ /-টাকা। বালিশ তৈরীর ফোম তুলা প্রতি কেজি ১৪০/ থেকে ১৫০/- টাকা, শিমুল তুলা প্রতি কেজি ৩৫০/-টাকা। লেপ তৈরীর মজুরী নতুন ২৫০/-টাকা, পুরাতন ৩৮০/-টাকা। তোষক তৈরীর মজুরী নতুন ৩০০/-টাকা ও পুরাতন ৪০০/-টাকা। জাজিম তৈরীর মজুরী নতুন ৪০০/-টাকা ও পুরাতন ৫০০/-টাকা। লেপ তৈরীর লাল শালু কাপড়ের মূল্য প্রতি গজ ৫০/-টাকা, কভার মার্কিন থান প্রতি গজ ৫০/-টাকা। তোষকের কাপড় প্রতি গজ ৮০/টাকা। বেড কভার প্রতিগজ ১৮০/-টাকা থেকে ২৪০/-টাকা। তিনি আরও বলেন বর্তমানে অর্ডার চলমান রয়েছে। কাজের চাপ বেশি থাকায় কারিগরদের মজুরীও বেশি দিতে হচ্ছে।

উপজেলার নকিপুর বাজারের রাকিব বের্ডিং হাউজের মালিক কেরামত আলী বলেন তার দোকানে এবার জানলা, দরজার পর্দা বেশি বিক্রী হয়েছে শীতের প্রকোপের কারণে। গতবারের তুলনায় অনেক বেশি বিক্রী । বর্তমান সময় পর্যন্ত ২ হাজার পিচের উর্দ্ধে বিক্রী করেছেন বলে জানান। তার দোকানের জানালা ও দরজার পর্দার বিক্রী মূল্য সর্ব নি¤œ জানালার পর্দা ১৫০/-টাকা ও দরজার পর্দা ১৮০/- টাকা।  খানপুর বেডিং হাউজের মালিক রুহুল আমিন বলেন গতবারের তুলনায় এবার লেপ তোষক বিক্রী অনেক বেশি। এর একমাত্র কারণ শীতের প্রকোপ বেশি ।

এছাড়া ফুটপাতের ব্যবসায়ী ও গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা জানান শীতের প্রকোপ বেশি থাকায় শীত বস্ত্র কম্বলও বেশ বিক্রী হয়েছে। তবে ফুটপাতের দোকানে বেশি ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। শ্যামনগর বাজারের একজন ব্যবসায়ী রহমান বলেন এবার শীতবস্ত্র কম্বলের বিক্রী গতবারের তুলনায় একটু ভাল।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার এগারটি ইউপি ও একটি পৌরসভায় শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে প্রায় ২ হাজারটি। যা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে প্রকাশ। বেসরকারীভাবে ও ব্যক্তিগত উদ্যোগেও এবার শীতবস্ত্র বিতরণ করতে লক্ষ্য করা গেছে।

এলাকার সৃজনশীল মানুষের মতামত  শীতার্ত মানুষের পাশে বিশেষ করে নি¤œ আয়ের মানুষের পাশে বিত্তবানদের শীতবস্ত্র সহ অন্যান্য উপকরণ নিয়ে এগিয়ে আসা দরকার।

ছবি- শীতের প্রকোপে লেপ তৈরীতে কারিগরদের ব্যস্ততা।

Hiçbir yorum bulunamadı


News Card Generator