সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, মানহানিকর বক্তব্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলে রাজধানীর আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন জনপ্রিয় তরুণ লেখক ও সিনিয়র সাংবাদিক জিয়াম আহমেদ।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি "Borsha Mollick-1" নামের একটি ফেসবুক পেজ এবং @megh_officials নামের একটি আইডি থেকে ধারাবাহিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা, মানহানিকর ও উসকানিমূলক বিভিন্ন পোস্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। এসব পোস্টে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, পেশাগত পরিচয় ও সামাজিক অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়েও অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও অসম্মানজনক মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
জিয়াম আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি লেখালেখি ও সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে তিনি পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সুপরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি তাঁর নাম জড়িয়ে যেসব অভিযোগ ও বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলোর সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। এসব তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অপপ্রচার চালিয়ে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইনে প্রচারিত এসব মিথ্যা তথ্যের কারণে তিনি ও তাঁর পরিবার মানসিকভাবে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মর্যাদা, সামাজিক অবস্থান এবং পেশাগত সুনামও প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা গভীর উদ্বেগের বিষয়।
এ অবস্থায় নিজের নিরাপত্তা, সম্মান ও আইনগত সুরক্ষার স্বার্থে তিনি আদাবর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে বলেন, কোনো তথ্য বা অভিযোগ যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার বা শেয়ার না করতে। গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে কারও সম্মানহানি করা আইনত দণ্ডনীয় এবং সমাজের জন্যও ক্ষতিকর।
জিয়াম আহমেদ আরও জানান, ভবিষ্যতে তাঁর নাম, পরিচয় বা ছবি ব্যবহার করে কেউ যদি মিথ্যা তথ্য প্রচার, মানহানি কিংবা হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।