কিন্তু হঠাৎই সোশ্যাল মিডিয়ায় নড়াইল-২ আসন থেকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সদ্য বহিষ্কৃত জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কসল প্রতীক নিয়ে পরাজিত সৈনিক মনিরুল ইসলামকে বিজয়ী প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমকে ফুলেল শুভেচছা দেওয়ার ঘটনা জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। শুধু কি তাই? ফুলেল শুভেচছা দেওয়ার সময় আরও উপস্থিত ছিল দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য সদ্য বহিষ্কৃত লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আহাদুজ্জামান বাটু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম, লোহাগড়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মিলু শরীফ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান সান্টু।
বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের ভিতরে ব্যাপক ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে লোহাগড়া পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান সান্টু, আনোয়ার মল্লিক সহ একাধিক ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি এবং নববাণী ও বিডি সময়ের অনলাইন ভার্সনে ঢুকে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমকে ফুলেল শুভেচছা দেওয়ার পোস্টে দেখা গিয়েছে অসংখ্য বিএনপি অনুসারীদের নেতিবাচক কমেন্ট। কমেন্টে আসাদুজ্জামান জামান লিখেছেন এদের নাক লজ্জা কিছুই নেই, রবিউল ইসলাম লিখেছেন এরা মীরজাফরের চেয়েও খারাপ, শাহ্ নেওয়াজ তাজ নামের একজন লিখেছেন এদের মধ্যে বিএনপি কতজন, শাখাওয়াত হোসেন লিখেছেন 'এরা দলে ফেরার পায়তারা করছে এদের মেম্বার হওয়ার যোগ্যতাও হারিয়েছে, রিপন বিশ্বাস লিখেছেন সবদোষ বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের 'কেন তিনি জেলা বিএনপির কর্ণধার হয়েও এইসব মুনাফেকদের কাছ থেকে ফুলেল শুভেচছা নিলেন?
জেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের বহিষ্কৃত নেতাদের সাথে এমন কার্যক্রম বিএনপির দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বলেও উল্লেখ করেছেন অনেকেই।
এব্যাপারে আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য সাবেক নড়াইল জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও নড়াইল-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সহিত একনিষ্ঠ ভাবে নির্বাচনে সহায়তাকারী শাহরিয়ার রিজভী জর্জের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।
নড়াইল জেলা যুবদলের সভাপতি মশিয়ার রহমানকে ফোন দিলে তিনি বলেন, দল থেকে বহিষ্কৃতদের কাছ থেকে ফুলেল শুভেচছা নেওয়া বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের ব্যক্তিগত ব্যাপার, তবে আমি এটা একদমই পছন্দ করি না।



















